Browsing Category

ঘরের শোভা

কাগজ দিয়ে দারুণ দুটি ক্রাফট!

কাগজের খেলা, এক কথায়  যাকে বলে অরিগ্যামি। এই অরিগ্যামির প্রতি অল্প আধটু টান আমাদের অনেকের আছে। আজ দেখে নিন,কাগজ দিয়ে বানানো দারুণ দুটি ক্রাফট আইডিয়া। আর এজন্য কাগজ ছাড়া আর বিশেষ কোন উপাদান ই লাগবে না। ১: কাগজের ফুল : যা যা লাগবে : গ্লু/গাম কালারফুল কাগজ। যেভাবে বানাবেন : ১: একটি স্কয়ার শেপের কাগজকে মাঝখানটায় কেটে অর্ধেক করে নিন। একটি কাগজ রোল করে নিন। গ্লু দিয়ে শেষ প্রান্ত টা লাগিয়ে দিন। ২: এবার অন্য

শোবার ঘরটি হোক সুন্দর

আপন বাসস্থান টি বড় হোক বা ছোট, সবারই নিজের ঘরের প্রতি অন্যরকম একটা মায়া কাজ করে। আর শোবার ঘরের কথা যদি বলি তাহলে বলতে হয়, এই ঘরটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারন  সবাই সারাদিনের কাজকর্ম সেরে এসে শোবার ঘরেই গা এলিয়ে দেয়। আর সারাদিনের পরিশ্রমের পর যদি বাসায় এসে দেখা হয় সব অগোছালো তাহলে কিন্তু কারোরই ভালো লাগে না। আর তাই আপনিও  সাজিয়ে গুছিয়ে রাখতে পারেন আপনার প্রিয় শোবার ঘরটিকে। ঘর পরিপাটি থাকলে মনটাও ভালো থাকে। তাহলে চলুন দেখে নেই কি কি উপায়ে আপনি আপনার শোবার ঘরটি সুন্দরভাবে গুছিয়ে রাখতে পারেন – শোবার ঘরের আকার আমাদের শোবার ঘরগুলি সাধারণত ১০ ফিট বাই ১২ ফিট হয়ে থাকে। কেউ কেউ ১১ ফিট বাই ১৩ ফিট আবার কেউ কেউ ১২ ফিট বাই ১৪ ফিট ও তৈরি করেন। বর্তমানে এই মাপগুলিতেই শোবার ঘর গুলো তৈরি হয়ে থাকে। তবে আকার যেমনই হোক না কেন, ঘরটিকে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখা টা আপনার একান্ত ইচ্ছা আর রুচির উপর নির্ভরশীল। কারন ছোট বা বড় ঘর যাই হোক না কেন আপনি আপনার সামর্থ অনুযায়ী সেটাকে সাজাতে পারেন। ঘর ছোট হলে আপনি ছোট ছোট বা অল্প কিছু আসবাবপত্র দিয়ে আপনি ঘরটি সাজাতে পারেন। তবে শোবার ঘরটিকে যদি পারফেক্টলি এবং খুব সুন্দর করে সাজাতে চান তাহলে আপনার ঘরের আকার হতে হবে ১৪

নষ্ট বাল্ব

ঘরের সৌন্দর্যে নষ্ট বাল্বের পাঁচ ব্যবহার

ঘরের সৌন্দর্যে নষ্ট বাল্বের পাঁচ ব্যবহার।বাল্ব নষ্ট হয়ে গেলে বা ফিউস হয়ে গেলে আমরা তা ফেলে দেই।এতে পরিবেশ নোংরা করা ছাড়া তেমন কিছু হয় না। কিন্তু কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করে আমরা এই নষ্ট বাল্বকে পুনঃব্যবহার যোগ্য করে তুলতে পারি। তো এই কাজের জন্য আমাদের একটি কাজ সবসময় শুরুতে করার প্রোয়জন পরবে। আর এই কাজটি হলো বাল্বের পিছনের দিকে ছিদ্র করে ভেতরের সবকিছু পরিষ্কার করা। শুরুতেই আমরা এই ব্যপারে যেনে নিব।এই কাজটি খুবই সাবধানতার সাহায্যে করতে

ঘর সাজাতে দেশীয় পণ্য

ঘর সাজাতে দেশীয় পণ্য

ঘর মানেই শান্তির আবাস। সারাদিনের ক্লান্তিকর কাজের শেষে মানুষ ঘরে ফেরে এক টুকরো শান্তির আশায়। এজন্য আমাদের ঘরটাকে আমরা সবাই মনের মত করে সাজাতে চাই। যে যাই বলুক না কেন দিনের শেষে একটা সুন্দর, ছিমছাম আর পরিপাটি ঘর সবার কাম্য। ঘর সুন্দর করে সাজাতে বা ঘরের সাজে একটু নান্দনিকতার ছোয়া আনতে দেশীয় পণ্যের কোন জুড়ি নেই। আপনি নানাভাবে ঘরের সাজে দেশীয় পণ্যের ছোয়া আনতে পারেন। আসুন আজ ঘর সাজাতে কিভাবে দেশীয় পণ্য ব্যবহার করা যায়

কেমন হওয়া চাই, নান্দনিক বারান্দার সাজ।

নীড়,ভালোবাসার এক অনন্য জায়গা। শত ব্যস্ততা শেষে নীড়ে ফিরে আসলেই যেনো শান্তি। আর সেই নীড়ে এক চিলতে বারান্দা যেনো নিয়ে আসে এক পরশ শান্তি। তবে বারান্দার সাজ নিয়ে আমাদের মাঝে কাজ করে দোটানা। আজকে সামান্য কিছু আইডিয়া আপনাদের সাথে শেয়ার করবো যে, কিভাবে আপনার বারান্দা সাজাবেন নান্দনিকতায়। আসবাবপত্র : বারান্দার আসবাবপত্র খুব গুরত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার। এই জায়গার আসবাবপত্র হওয়া উচিত, নান্দনিক ও রুচিশীল।যত হালকা আসবাবপত্র হয় তত ভালো হবে। বারান্দার জন্য বেঁতের বা কালো কাঠের

ঘরেই বানান সাশ্রয়ী অল পারপাস ক্লিনার

ঘরেই বানান সাশ্রয়ী অল পারপাস ক্লিনার

নিজের ঘর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে কে না চায়। আজকাল ঘরের বিভিন্ন অংশ পরিস্কারের জন্য বাজারে ভিন্ন ভিন্ন রকম ক্লিনার পাওয়া যায়। কিন্তু এই ক্লিনারগুলো যথেষ্ঠ দামী। সেই সাথে একেকটা জিনিস পরিস্কার করার জন্য একেকটা ক্লিনার ব্যবহার করা সময়সাপেক্ষ এবং ঝামেলার ব্যাপারও বটে। কেমন হত যদি একটি ক্লিনার দিয়েই ঘরের বেশিরভাগ জায়গা পরিস্কার ফেলা যেত এবং সেই সাথে ক্লিনারটির পিছনে খুব বেশি ব্যয়ও করা লাগত না? চলুন আজ তেমনই কিছু অল পারপাস ক্লিনার নিয়ে কথা বলব।

ফেয়ারী জারে ঘরের সৌন্দর্য

ছবিটি দেখেই বুঝতে পারছেন কতটা আকর্ষনীয় ও সুন্দর এই ফেয়ারী জার টি। ঘরের সৌন্দর্য্য বর্ধনে বা প্রিয়জনকে কোনো বিশেষ দিনে গিফট দিয়ে চমকে দিতে এর জুরি নেই। এতো সৌখিন ও সৌন্দর্যমন্ডিত ডেকোরেটিং পিস চোখের সামনে থাকলেও মন ভাল হয়ে যায়। ঘরের শোভা বৃদ্ধির জন্য অনায়াসেই ব্যবহার করতে পারেন।অথচ খুবই সাধারন কিছু মেটেরিয়ালস দিয়ে খুব কম সময়েই আপনি বানিয়ে নিতে পারেন অসাধারণ এই জিনিসটি। আপনাদের বুঝার সুবিদার্থে আমি আমার করা একটি টিউটোরিয়াল ভিডিও ও আর্টিকেলে এড করে দিয়েছি।

ঈদে খাবার টেবিল সাজান মনের মতো করে !

আর হাতে বেশি সময় নেই, প্রায় দরজায় এসে দাড়িয়েছে ঈদ-উল-আযহা। সাজ পোশাকে এই ঈদে তেমন একটা গুরত্ব না দিলেও খাবারে প্রতি দিতে হয় বাড়তি নজর। তাই বাদ যায় না খাবার টেবিলটাও। এই ঈদে কিভাবে আপনার খাবার টেবিলটাকে একটু ভিন্ন লুক দেওয়া যায় তাই দেখে নিন। 👉 টেবিলে রানার , ম্যাট ব্যবহার করলে খুব ভালো দেখায়। একই রঙের ম্যাট ও রানার বা বিপরীত রঙা রানার ও ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন। 👉 টেবিলে যখন খাবার পরিবেশন করবেন

ঈদের আগে ঘরের সাজের টিপস

ঈদুল ফিতর মুসলমানদের সবচেয়ে বড় আনন্দ উৎসব। এদিনে সবাই সাধ্য অনুযায়ী নিজের ও পরিবারের জন্য জামাকাপড় কিনে থাকেন। পাশাপাশি ঘরদোরকে সাজান। ঈদের বোনাস দিয়ে অনেকেই নতুন আসবাবপত্র কিনে থাকেন।নতুন না কিনলেও সমস্যা নেই।আসুন দেখে নিই এবারের ঈদের ঘর সাজের কিছু টিপস। 👉প্রথমেই বাসার পর্দা, সোফার কভার, কুশন কভার ধুয়ে, আয়রন করিয়ে নিন।এখনই করে নিন কারন বর্ষায় শুকাতে সময় লাগবে। 👉বাসায় ধোয়া ঝামেলা মনে হলে লন্ড্রীতেও দিতে পারেন। ধোয়া ও আয়রন একসাথে হয়ে যাবে। 👉ঈদের আগে রান্নাঘর ভাল করে পরিস্কার করে নিন। ঈদের দিন রান্নার জন্য বড় হাড়ি পাতিল ধুয়ে, গুছিয়ে রাখুন। 👉পরিবেশন পাত্রও শোকেস থেকে বের করে গুছিয়ে রাখুন, এতে মেহমান আসলে ঝামেলা কম হবে। 👉নতুন পর্দা, কুশন কভার কিনলে সুতি কাপড় ও একটু গাঢ় রঙের প্রাধান্য দিন , নীল বা সবুজ রঙও ভাল মানাবে। কারন এবারের ঈদ বর্ষায় পড়েছে।

আপনার বেডরুম রাখুন সাজানো গুছানো ও পরিষ্কার সহজ কিছু উপায়ে।

শোবার ঘর, পুরো ঘরের মধ্যে এ ঘরের আবেদনটা সবসময়ই বেশি।সারা দিন , শত ব্যস্ততা, যান্ত্রিক নগরের কোলাহল সবকিছু শেষে আপনি একটু প্রশান্তি তালাশ করেন আপনার প্রিয় শোবার ঘরে। এ ঘর ছোট হলে অনেক সময় জিনিসপত্র রাখতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া ঘর এতে অগোছালো ও মনে হতে পারে। বলুন তো অগোছালো ঘরে কি শান্তি খুঁজে পাওয়া আদৌ সম্ভব ! চলুন না আজ দেখে নেওয়া যাক কিভাবে আপনার শোবার ঘরটাকে আপনি সুন্দর ও ছিমছাম ও পরিষ্কার