Browsing Category

ঘরের শোভা

বাসায় হোক ব্যায়ামাগার

আপনি যদি জিম বা ব্যায়ামাগারে যেতে অপছন্দ করেন তাহলে বাসাতেই তৈরি করে নিন একটি ছোট্ট হোম জিম। ভয় পেলেন? ভয় পাওয়ার কোন কারণই নেই কারণ হোম জিম করতে আপনার খুব বেশি খরচ হবে না মোটেও। হোম জিম তৈরি করলে আপনি জিমে সময় ও টাকা দুটোই সেভ করতে পারবেন। কীভাবে? জিমে যেতে আপনার সময় নষ্ট হত, সেই সময়টা বাঁচবে। জিমের ফি-টাও সেভ হবে। ওহ, আমি তো ভুলেই গেছি, জিমের কোন একটা সরঞ্জাম ব্যবহারের জন্য যে আপনাকে

বসার ঘরে নতুনত্ব আনবেন যেভাবে…

বাসাগুলো এখব ফ্ল্যাট বাসা হয়ে যাচ্ছে। ঢাকা শহরের দিকে তাকালে একটাও উঠানওয়ালা বাসা পাওয়া দুষ্কর। আমি মনে হয়, অনেক বেশি বলে ফেললাম। বড় ফ্ল্যাট পাওয়ায় যেই শহরে অনেক বড় স্বপ্ন হয়ে দাঁড়ায় সেখানে উঠানওয়ালা বাসার তো প্রশ্নি আসে না। ফ্ল্যাটগুলো দিন দিন ছোট থেকে ছোটতর হয়ে যাচ্ছে তাই আসবাবপত্র গুছিয়ে রাখতে আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে বেশ। এত অল্প জায়গায় এত এত আসবাবপত্র কীভাবে সেট করা যায় সেটা ভেবেই পাওয়া যায় না। তাই ঘরগুলো হয়ে যাচ্ছে

আলমারিতে নতুন কাপড়ের জায়গা তৈরি করবেন যেভাবে – ০২

গতদিন বলেছিলাম আলমারিতে নতুন কাপড়ের জায়গা কীভাবে করা যায় তার প্রাথমিক উপায়। কিন্তু আপনার যদি বাদ দেওয়ার মত কাপড় বেশি না থাকে তাহলে কি করবেন! কীভাবে আলমারিতে আপনার নতুন কাপড়ের জায়গা করবেন! এত দুশ্চিন্তা করার প্রয়োজন নেই, আমি বলছি। এবারে আলমারির জিনিসগুলো বের করি এবং ধরণ অনুযায়ী তিনটা আলাদা জায়গায় রাখতে হবে। সেটা হতে পারে বাক্স, ঝুড়ি, চেয়ার অথবা বিছানায় বা মেঝেতে। এক ভাগে থাকবে বাদ দেওয়ার (আগের লেখায় যে ধরণের কাপড়ের কথা উল্লেখ করেছি)

আলমারিতে নতুন কাপড়ের জায়গা তৈরি করবেন যেভাবে – ০১

শীতের পোশাক তুলে রাখতে শুরু করে দিয়েছেন অনেকেই। অনেকেই প্রতি বছর নতুন নতুন পোশাক যোগ হয় শীতের পোশাকের তালিকায়। আপনার আলমারিতে এমনিতেই জায়গা নেই; আবার বাসার সকলের নতুন শীতের পোশাক যোগ হয়েছে! এখন কি করবেন! আপাতত শীতের কাপড় এভাবেই ফেলে রাখবেন কারণ আপনি এখন আলমারি গুছাতে ভয় পাচ্ছেন? পুরো আলমারির কাপড় নামিয়ে আবার তোলা খুব কষ্টকর কাজ তাই ভয় পাওয়া খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু আপনি মোটেও এই কাজ করবেন না, পুরো আলমারির কাপড় নামিয়ে আবার নতুন

ঘর পরিস্কার রাখার জন্য কিছু সহজ টিপস

ঘর পরিস্কার রাখার জন্য কিছু সহজ টিপস

ঘর হচ্ছে আমাদের জন্য সব জন্য থেকে শান্তির জায়গা। দিন শেষে সব কাজ সম্পন্ন করে আমরা একটু শান্তির খোজে আমাদের ঘরে প্রবেশ করি। এই কারণে আমাদের ঘর হওয়া উচিত পরিস্কার আর পরিচ্ছন্ন। তবে রোজকার দিনের কাজ গুলোর মধ্যে ঘর তো আগোছালো হয়েই যায়। অপরিস্কারও হয়ে যায়। তাই আমাদের উচিত ঘর খুব বেশি নোংরা হবার আগেই তা যতটা সম্ভব পরিস্কার করে ফেলা। আমরা অনেক সময় ঘর পরিস্কার করে রাখাটাকে অনেক কঠিন একটা কাজ বলে মনে করি।

অল্প খরচে বাসা হবে আধুনিকভাবে সজ্জিত

নতুন সংসার শুরু করা বা বাসা সংস্কার করার সময় আমরা নিত্যনতুন এবং হালের আসবাবপত্র দিয়ে বাসা সাজিয়ে থাকি। কিন্তু কয়েক মাস যাওয়ার পর সেসব আবার একঘেয়েমি লাগতে লাগে। আর ২-১ বছর পরে সেগুলো আবার পুরনো হয়ে যায়। কিন্তু বারবার বা ঘনঘন আসবাব পত্র পরিবর্তন করা সম্ভব হয়ে উঠে না অধিকাংশের পক্ষেই। এক্ষেত্রে আমরা কি করবো? এক ঘেয়েমি জীবন মেনে নিবো? আমার মতামত যদি জানতে চান তাহলে বলবো, মোটেও মেনে নেওয়া উচিত নয়। এতে মনে অবসাদ

ছোট ঘর বড় দেখাবে যেভাবে

ফ্ল্যাট বাসাগুলো এত ছোট হয় যে কয়েকটা আসবাবপত্র রাখার পরে আর জায়গা থাকে না, ঘরগুলো বন্ধ বন্ধ লাগে। আবার কোন কোন বাসায় জায়গা এতই ছোট হয়ে যায় যে শুধু হাঁটাচলা করার জায়গাটুকুই অবশিষ্ট থাকে। কিন্তু ঢাকা শহরে যেখানে মানুষের দাঁড়ানোর জায়গা নেই সেখানে আপনি বড় বাসা আশাই বা করবেন কীভাবে! তাই এই বাসার সাথেই মানিয়ে চলতে হবে। কিন্তু এত বদ্ধভাবে থাকা যায় না, তা আমি জানি। তাই আজ ঘর সাজানোর কিছু টিপস শেয়ার করবো আপনাদের

বড়দিনে আপনার পরিপাটি ঘর

বড়দিনে আপনার পরিপাটি ঘর

বছর ঘুড়ে চলে এলো সেই কাঙ্ক্ষিত দিন। খ্রিস্টধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উত্‍সব বড়দিন। অন্যান্য উৎসবের মত এদিনেও সবাই চায় নিজেদের সুন্দর ভাবে সাজানোর পাশাপাশি নিজেদের ঘরটাও সুন্দর, পরিপাটী ও নান্দনিক ভাবে সাজাতে-গুছাতে। পশ্চিমা দেশ গুলোর মতো জমকালোভাবে পালন না করা হলেও আমাদের দেশেও দিনটি উদযাপন করা হয় নানান আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে। নিজেদের পরিসরের মধ্যে সবাই চেষ্টা করে ভাল আয়োজনটি করতে। ক্রিসমাস ট্রি সাজানো হলো বড়দিনের অন্যতম আকর্ষন। ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে যে কোনো উত্‍সবে সবাই এক হয়ে যাওয়া বাঙালীর

সুরভিত ও সতেজ ঘর

সুরভিত ও সতেজ ঘর

ঘর সুরভিত বা সুগন্ধে সতেজ থাকুক তা আমরা কে না চাই! এলো শীত। শীতে বাহিরের অতিরিক্ত ঠান্ডা থেকে বাচিয়ে ঘরকে উষ্ণ রাখতে আমরা দিনের বেশিরভাগ সময়টাই দরজা জানালা বন্ধ করে ঘরে বাইরের আলো বাতাস চলাচল বন্ধ রাখি। এতে ঘরের ভেতরটায় এক গুমোট ব্যাপার বিরাজ করে। আর এতে সতেজ গন্ধটাও অনুভূত হয়না। অথচ আমরা চাই ঘর থাকুক উষ্ণ এবং সুরভিত। এছাড়াও বিভিন্ন কারণে আমাদের ঘরে দুর্গন্ধ অনুভূত হয়ে থাকে। ঘরের এই দুর্গন্ধ পরিবারের মানুষজনের জন্যে যেমন

ঝকঝকে স্টিলের থালাবাটি

ঝকঝকে স্টিলের থালাবাটি

স্টিলের থালাবাটি ঝকঝকে তকতকে রাখতে কে না চায়! ঘরে অতিথি এলে এখনকার সময়ে নতুন ট্রেন্ড হলো বাঙালীর গ্রামবাংলার আদলে মাটির এবং স্টিলের বাসনকোসনে খাবার সার্ভ করা। কিন্তু বেশীরভাগ সময়েই যে্টা হয়, স্টিলের থালাবাটি ঠিকভাবে পরিষ্কার করে না রাখাতে বা ঠিকভাবে সংরক্ষন না করার ফলে এর গ্লেজ নষ্ট হয়ে যায়। ঝকঝকে ভাবটা হারিয়ে যায়। যেটা নিজের কাছেও ভাল লাগেনা আর অতিথির সামনে তো আরো আগেই না(মাটির তৈজসপত্র নিয়ে পরবর্তী আর্টিকেলে লিখা হবে)। আবার দীর্ঘদিন ব্যবহার করার