Browsing Category

ঘরের শোভা

শিশুর ঘর গুছিয়ে রাখবেন যেভাবে

শিশুদের ঘর গুছিয়ে রাখা মোটেও সহজ কাজ না। আমার মনে হয়, বাসার কাজগুলোর মধ্যে এইটা সবচেয়ে কঠিন কাজ কারণ খেলনা, বই-খাতা এসব জিনিস ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখে বাচ্চারা। নিজেরা যেমন গুছিয়ে রাখতে পারে না, তেমনই মা-বাবারাও কাজ সামলে ওদের ঘর গুছিয়ে দেওয়ার সময় পান না। অগোছালো ঘরে বড় হতে থাকলে কিন্তু বাচ্চা বড় হয়েও ঘর অগোছালো রাখবে। বাচ্চাকে ছোট থেকেই ঘর গুছিয়ে রাখতে শেখালে বড় হয়ে নিজেরাই গুছিয়ে রাখবে। জেনে নিন কী ভাবে ওদের ঘর গুছিয়ে

বাসার ভেতরটা হোক মোহনীয়

ঘরে সাজাতে আমরা সবাই পছন্দ করি কিন্তু কিভাবে সাজালে ভালো লাগবে তা সবাই বুঝে উঠতে পারে না। কারণ বাসায় আলো-বাতাসের পরিমাণ, ঘরগুলোর সাইজ, দেওয়ালের কালার, আসবাবপত্র ইত্যাদি বিষয়ের সামঞ্জস্যের উপর নির্ভর করে একটি বাসার সৌন্দর্য। তাই সব বাসা গুছানোর জন্য যদি আপনি একটি নীতি ফলো করেন তাহলে অবশ্যই বাসার সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে ব্যর্থ হবে। তবে কিছু বেসিক নিয়ম আছে যা মেনে বাসা সাজালে আপনার বাসা যেমনই হোক, বেশ চমৎকার দেখাবে। সেসকল বেসিক টিপস আজ আমি

ঘরের টুকটাক কাজের আরও কিছু টিপস

  এর আগেও আমি আপনাদের সাথে টুকটাক ঘরোয়া কাজের কিছু টিপস শেয়ার করেছি। আশা করি সেগুলো আপনাদের কাজে এসেছে। আসুন, আজ ঘরের কাজের আরও কিছু টিপস জেনে নেই।   বাসায় বা ঘরে পাখি বাসা দূর করতে করনীয়ঃ অনেকেই কাছেই শুনেছি, বাসার কার্নিশের ফাঁকে চড়ুই পাখি বাসা বাঁধছে। তাদের কিচির মিচিরে রাতের ঘুম নষ্ট হয় এবং বাসাও নোংরা হয় কিন্তু এ থেকে পরিত্রাণের উপায় খুঁজে পাচ্ছে না বিধায় পাখিদের উৎপাত সহ্য করে যাচ্ছে। আজ তাদের এই

বাসার টুকটাক কাজের সহজ উপায়

  বাড়িঘর গুছিয়ে, রান্নাঘর সামলায়ে, আসবাবপত্রের যত্ন করে, নিজের খেয়াল রাখাটা আমাদের বেশ কষ্টকর হয়ে পড়ে আমাদের জন্য। আমিও বেশ হয়রান হয়েছি এসকল কাজ গুছিয়ে উঠতে। কিন্তু আপনাদের হয়রান হতে হবে না, কোন ঝামেলাও পোহাতে হবে না কারণ আপনাদের হয়রানি কমানোর জন্য আমি আপনাদের কিছু সহজ ও ছোটখাটো ট্রিকস শেখাবো যা আমি খুঁজে পেয়েছি। চলুন শুনে নেওয়া যাক। হাত থেকে পেয়াজ ও রসুনের গন্ধ দূর করতে করণীয়ঃ পেয়াজ ও রসুন কাটার পর হাতে গন্ধ থেকে

কাগজ দিয়ে দারুণ দুটি ক্রাফট!

কাগজের খেলা, এক কথায়  যাকে বলে অরিগ্যামি। এই অরিগ্যামির প্রতি অল্প আধটু টান আমাদের অনেকের আছে। আজ দেখে নিন,কাগজ দিয়ে বানানো দারুণ দুটি ক্রাফট আইডিয়া। আর এজন্য কাগজ ছাড়া আর বিশেষ কোন উপাদান ই লাগবে না। ১: কাগজের ফুল : যা যা লাগবে : গ্লু/গাম কালারফুল কাগজ। যেভাবে বানাবেন : ১: একটি স্কয়ার শেপের কাগজকে মাঝখানটায় কেটে অর্ধেক করে নিন। একটি কাগজ রোল করে নিন। গ্লু দিয়ে শেষ প্রান্ত টা লাগিয়ে দিন। ২: এবার অন্য

শোবার ঘরটি হোক সুন্দর

আপন বাসস্থান টি বড় হোক বা ছোট, সবারই নিজের ঘরের প্রতি অন্যরকম একটা মায়া কাজ করে। আর শোবার ঘরের কথা যদি বলি তাহলে বলতে হয়, এই ঘরটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারন  সবাই সারাদিনের কাজকর্ম সেরে এসে শোবার ঘরেই গা এলিয়ে দেয়। আর সারাদিনের পরিশ্রমের পর যদি বাসায় এসে দেখা হয় সব অগোছালো তাহলে কিন্তু কারোরই ভালো লাগে না। আর তাই আপনিও  সাজিয়ে গুছিয়ে রাখতে পারেন আপনার প্রিয় শোবার ঘরটিকে। ঘর পরিপাটি থাকলে মনটাও ভালো থাকে। তাহলে চলুন দেখে নেই কি কি উপায়ে আপনি আপনার শোবার ঘরটি সুন্দরভাবে গুছিয়ে রাখতে পারেন – শোবার ঘরের আকার আমাদের শোবার ঘরগুলি সাধারণত ১০ ফিট বাই ১২ ফিট হয়ে থাকে। কেউ কেউ ১১ ফিট বাই ১৩ ফিট আবার কেউ কেউ ১২ ফিট বাই ১৪ ফিট ও তৈরি করেন। বর্তমানে এই মাপগুলিতেই শোবার ঘর গুলো তৈরি হয়ে থাকে। তবে আকার যেমনই হোক না কেন, ঘরটিকে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখা টা আপনার একান্ত ইচ্ছা আর রুচির উপর নির্ভরশীল। কারন ছোট বা বড় ঘর যাই হোক না কেন আপনি আপনার সামর্থ অনুযায়ী সেটাকে সাজাতে পারেন। ঘর ছোট হলে আপনি ছোট ছোট বা অল্প কিছু আসবাবপত্র দিয়ে আপনি ঘরটি সাজাতে পারেন। তবে শোবার ঘরটিকে যদি পারফেক্টলি এবং খুব সুন্দর করে সাজাতে চান তাহলে আপনার ঘরের আকার হতে হবে ১৪

নষ্ট বাল্ব

ঘরের সৌন্দর্যে নষ্ট বাল্বের পাঁচ ব্যবহার

ঘরের সৌন্দর্যে নষ্ট বাল্বের পাঁচ ব্যবহার।বাল্ব নষ্ট হয়ে গেলে বা ফিউস হয়ে গেলে আমরা তা ফেলে দেই।এতে পরিবেশ নোংরা করা ছাড়া তেমন কিছু হয় না। কিন্তু কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করে আমরা এই নষ্ট বাল্বকে পুনঃব্যবহার যোগ্য করে তুলতে পারি। তো এই কাজের জন্য আমাদের একটি কাজ সবসময় শুরুতে করার প্রোয়জন পরবে। আর এই কাজটি হলো বাল্বের পিছনের দিকে ছিদ্র করে ভেতরের সবকিছু পরিষ্কার করা। শুরুতেই আমরা এই ব্যপারে যেনে নিব।এই কাজটি খুবই সাবধানতার সাহায্যে করতে

ঘর সাজাতে দেশীয় পণ্য

ঘর সাজাতে দেশীয় পণ্য

ঘর মানেই শান্তির আবাস। সারাদিনের ক্লান্তিকর কাজের শেষে মানুষ ঘরে ফেরে এক টুকরো শান্তির আশায়। এজন্য আমাদের ঘরটাকে আমরা সবাই মনের মত করে সাজাতে চাই। যে যাই বলুক না কেন দিনের শেষে একটা সুন্দর, ছিমছাম আর পরিপাটি ঘর সবার কাম্য। ঘর সুন্দর করে সাজাতে বা ঘরের সাজে একটু নান্দনিকতার ছোয়া আনতে দেশীয় পণ্যের কোন জুড়ি নেই। আপনি নানাভাবে ঘরের সাজে দেশীয় পণ্যের ছোয়া আনতে পারেন। আসুন আজ ঘর সাজাতে কিভাবে দেশীয় পণ্য ব্যবহার করা যায়

কেমন হওয়া চাই, নান্দনিক বারান্দার সাজ।

নীড়,ভালোবাসার এক অনন্য জায়গা। শত ব্যস্ততা শেষে নীড়ে ফিরে আসলেই যেনো শান্তি। আর সেই নীড়ে এক চিলতে বারান্দা যেনো নিয়ে আসে এক পরশ শান্তি। তবে বারান্দার সাজ নিয়ে আমাদের মাঝে কাজ করে দোটানা। আজকে সামান্য কিছু আইডিয়া আপনাদের সাথে শেয়ার করবো যে, কিভাবে আপনার বারান্দা সাজাবেন নান্দনিকতায়। আসবাবপত্র : বারান্দার আসবাবপত্র খুব গুরত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার। এই জায়গার আসবাবপত্র হওয়া উচিত, নান্দনিক ও রুচিশীল।যত হালকা আসবাবপত্র হয় তত ভালো হবে। বারান্দার জন্য বেঁতের বা কালো কাঠের

ঘরেই বানান সাশ্রয়ী অল পারপাস ক্লিনার

ঘরেই বানান সাশ্রয়ী অল পারপাস ক্লিনার

নিজের ঘর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে কে না চায়। আজকাল ঘরের বিভিন্ন অংশ পরিস্কারের জন্য বাজারে ভিন্ন ভিন্ন রকম ক্লিনার পাওয়া যায়। কিন্তু এই ক্লিনারগুলো যথেষ্ঠ দামী। সেই সাথে একেকটা জিনিস পরিস্কার করার জন্য একেকটা ক্লিনার ব্যবহার করা সময়সাপেক্ষ এবং ঝামেলার ব্যাপারও বটে। কেমন হত যদি একটি ক্লিনার দিয়েই ঘরের বেশিরভাগ জায়গা পরিস্কার ফেলা যেত এবং সেই সাথে ক্লিনারটির পিছনে খুব বেশি ব্যয়ও করা লাগত না? চলুন আজ তেমনই কিছু অল পারপাস ক্লিনার নিয়ে কথা বলব।