Browsing Category

সহজ পরামর্শ

রাগ কমানোর উপায়

রাগ কমানোর উপায়

মানুষের বিভিন্ন রকম আবেগ- অনূভুতি রয়েছে যেমনঃ ভালবাসা, মমতা, রাগ ইত্যাদি।। এইসব অনুভূতির মধ্যে রাগ অনেকটাই নেতিবাচক অনুভূতি। রাগ ছাড়া কোন মানুষ খুজেঁ পাওয়া খুব দুস্কর। রাগ করার যৌক্তিক কারনে মানুষ রাগ প্রকাশ করবে সেটাই স্বাভাবিক। তবে সমস্যাটা হয় অতিরিক্ত রাগের বেলায়। কারন মাত্রাতিরিক্ত রাগের বশবর্তী হয়ে মানুষ অনেকসময়ই অনেক ভুল করে থাকে, যা মোটেই কাম্য নয়। তাই স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি রাগ করা কখনোই উচিত না। আর কারো এমন রাগ থাকলে তা নিয়ন্ত্রণ করা খুব

চটপট তৈরি হেয়ার প্যাক

চটপট তৈরি হেয়ার প্যাক

চুলের যত্নে আমরা কত কিছুই না করে থাকি। চুল সুন্দর ও ঝলমলে রাখতে আমরা সবাই চাই আর সেজন্যই চুলের এতো যত্নআত্নি। আবার প্রতিদিনকার ব্যস্ত শিডিউলের মাঝে চুলের জন্য বেশ কিছুটা সময় বের করে খানিকটা যত্ন নেয়াও হয়ে উঠেনা। তাই অনেকসময়ই প্রিয় চুলে দেখা দেয় ড্যামেজ, চুল পড়া ও খুশকির মত নানান সমস্যা। আর সেজন্যই আজ জানাব এমন কয়েকটি প্যাক বানানোর পদ্ধতি যা আপনি খুব সহজেই ঘরে থাকা উপকরণ দিয়ে চটপট বানিয়ে ফেলতে পারবেন এবং রোজকার

সহজেই তৈরি অ্যান্টি রিংকেল ক্রিম

সহজেই তৈরি অ্যান্টি রিংকেল ক্রিম

বয়স হলে চেহারায় সেটার ছাপ পড়বে এটাই প্রকৃতির নিয়ম তা আমরা সবাই জানি। বয়স ত্রিশের পর থেকেই ত্বকে শুরু হয়ে যায় বলিরেখা পরা। এই বয়সের ছাপকে দূরে রাখতে কত কিছুই না করা হয়। পার্লারে হাই পাওয়ারের ফেসিয়াল, নানান রকমের নামী-দামী অ্যান্টি রিংকেল ক্রিমের ব্যবহার, আরো কত রকম ত্বকচর্চা। এবার নাহয় ঘরে বসেই হোক কিছুটা ত্বকের যত্ন। নাহয় ঘরেই তৈরি করে নিন বলিরেখা দূর করার বিশেষ একটি অ্যান্টি রিংকেল ক্রিম। ডিম, আমন্ড অয়েল, মধু ইত্যাদি প্রাকৃতিক

গরমে ত্বকের যত্নে করনীয়

গরমে ত্বকের যত্নে করনীয়

এসেছে তীব্র গরম। আর নিয়ে এসেছে ত্বকের জন্য নানা জটিলতর সমস্যা। গরমের এই তীব্রতা ও দূষিত বাতাস আপনার ত্বককে করে তোলে শুষ্ক ও নিস্তেজ। আর্দ্রতা ধরে রাখার পাশাপাশি, সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মী ও ঘাম থেকে রক্ষা এবং সতেজভাব ধরে রাখা বেশ কঠিন কাজ। গরমের কারণে ত্বকের নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যাগুলো থেকে সুরক্ষিত থাকতে গরমে চাই ত্বকের বাড়তি কিছু যত্ন। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক এই গরমে কীভাবে ত্বক সতেজ ও সুন্দর রাখা যায়-

যত্ন নিন হাত-পায়েরও

যত্ন নিন হাত-পায়েরও

মুখের তুলনায় হাত-পায়ের যত্ন তুলনামূলকভাবে সবসময়েই কম নেওয়া হয়, আর এজন্য মুখের তুলনায় হাত ও পায়ের রং কালো দেখা যায়। তাছারা হাত-পায়ের ব্যবহার আমাদের শরীরের অন্যান্য অর্গান গুলোর তুলনায় অনেকাংশেই বেশি। আমরা প্রতিদিনই দুই হাতে অনেক ধরনের কাজ করি এবং দুই পায়ের কাজ তো আছে হাঁটাহাঁটি করা। তাই আমাদের নিয়মিত হাত ও পায়ের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। নিয়মিত যত্ন নিলে আপনার হাত ও পা থাকবে নরম, কোমল ও মসৃণ। কিন্তু সেই যত্ন অবশ্যই হতে হবে যথাযথ

ত্বকের যত্নে হাতে তৈরি নাইট ক্রিম

ত্বকের যত্নে হাতে তৈরি নাইট ক্রিম

রাতের বেলা ত্বকের কিছুটা যত্ন নেয়া আমাদের বিউটি রুটিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কারন রাতের বেলা বা ঘুমের সময়টাতে ত্বকের জন্য ব্যবহৃত রূপচর্চা পণ্যের উপাদানগুলো কাজ করতে পারে ভালভাবে। তাই এ সময়টাতে কিছুটা সময় নিয়ে ত্বকের সামান্যতম যত্ন নেয়া আমাদের সকলের জন্যই বেশ দরকারি। আর এজন্য একটি ভালো নাইট ক্রীমই হতে পারে আপনার ভরসার যায়গা। ত্বকের অনাকাঙ্ক্ষিত দাগ, হারিয়ে যাওয়া উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনাসহ দীপ্তিময় মসৃণ ত্বকের জন্য প্রাকৃতিক নাইট ক্রিম হতে পারে একমাত্র ভরসা। আজ এরকমই

বাচ্চার_প্রথম_নিরাপদ_ফিঙ্গার_ফুড

বাচ্চাদের প্রথম নিরাপদ ফিঙ্গার ফুড

বাচ্চার জন্মের  ৬ মাস পরে মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি বাড়তি কিছু খাবার দিতে হয়। যেমনঃ ফলের পিউরি, নরম খিচুড়ি, চালের সুজি বা নরম ভাত ইত্যাদি। এইসব খাবারের সাথে আস্তে আস্তে মুরগির মাংস, মাছও দিতে হবে। এতে বাচ্চার শারীরিক ও মানসিক বিকাশ হবে দ্রুত। বাচ্চার বয়স যখন ৭-৮ মাস হবে তখন থেকেই শিশুকে নিজের হাতে কিছু খাবার দিতে হবে। এরফলে শিশু নিজের হাতে যেমন খাওয়া শিখবে তেমন তার খাবারের প্রতি রুচিও বাড়বে। এখনকার সময়ে একটা কথা

আর্থিক সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চান?

আপনি যতই পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন না কেন, জীবনে একটা সময় এমন আসে যখন আপনার ফাইন্যান্সিয়াল হেল্প দরকার হয়। অবশ্যই বিপদে আপনার আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের কাছে সাহায্য চাইবেন কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, তাদের সাহায্যও কম পড়ে যাচ্ছে। এমনটা ঘটলে কি করবেন? এমন দুঃসময়ে ব্যক্তিগত লোনটাই আপনার একমাত্র সহায় হয়ে দাঁড়াবে। ব্যক্তিগত লোন নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কিছু বিষয় নিচে দেওয়া হলঃ প্ল্যান করে ধার নেনঃ SOS অপশন হিসেবে ব্যক্তিগত লোনের কোন জুড়ি নেই কিন্তু লোন

অপ্রয়োজনীয় খরচ কমাতে ১১টি উপায়

বর্তমান সময়ে সকল পেশা ও আয়ের মানুষের একটাই অভিযোগ, তারা টাকা জমাতে পারছে না। এর কারণ হিসেবে আমরা মনে করি, যে হারে জিনিসের দাম বাড়ছে তাতে ভালোভাবে দিন যাপন করতে হলে টাকা জমানো অনেকটা অসম্ভব। কিন্তু বিষয়টা মোটেও এমন না। এত শত সমস্যার পরেও টাকা জমানো সম্ভব কারণ টাকা জমানো সম্পূর্ণ মনের ব্যাপারে। এইটা মূলত মন ও মস্তিষ্কের যুদ্ধ। আরেকটু সহজভাবে বলি, যদি সস্তা জিনিসকে সুন্দর রমণীর সাথে তুলনা করেন তাহলে টাকা জমানো আপনার কাছে

আপনার শিশু কি স্বাভাবিকভাবে (চতুর্থ মাসে) বেড়ে উঠছে?

তিন মাস থেকে চার মাসে পদার্পণ করার সময় আস্তে আস্তে আপনার বাবু চারপাশের বিভিন্ন জিনিসের দিকে আরো বেশী কৌতূহলী হবে। রঙিন এবং সচল জিনিসপত্রের প্রতি আকৃষ্ট হবে, এসময় তাকে নিরাপদ বিভিন্ন সফট-টয় , শব্দ যুক্ত খেলনা যেমন র‍্যাটল বা ঝুনঝুনি জাতীয় খেলনা দেবেন। মোবাইল এবং অন্যান্য ডিভাইসের রঙিন ছবি এবং মিউসিকের প্রতি আকৃষ্ট হবে, তবে, এসব ডিভাইস থেকে বাচ্চাদের যথাসম্ভব দূরে রাখতে হবে তাদের সঠিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য। মনে রাখবেন, এসব ডিভাইসের র‍্যাডিয়েশান