Browsing Category

টিপস

সহজেই তৈরি অ্যান্টি রিংকেল ক্রিম

সহজেই তৈরি অ্যান্টি রিংকেল ক্রিম

বয়স হলে চেহারায় সেটার ছাপ পড়বে এটাই প্রকৃতির নিয়ম তা আমরা সবাই জানি। বয়স ত্রিশের পর থেকেই ত্বকে শুরু হয়ে যায় বলিরেখা পরা। এই বয়সের ছাপকে দূরে রাখতে কত কিছুই না করা হয়। পার্লারে হাই পাওয়ারের ফেসিয়াল, নানান রকমের নামী-দামী অ্যান্টি রিংকেল ক্রিমের ব্যবহার, আরো কত রকম ত্বকচর্চা। এবার নাহয় ঘরে বসেই হোক কিছুটা ত্বকের যত্ন। নাহয় ঘরেই তৈরি করে নিন বলিরেখা দূর করার বিশেষ একটি অ্যান্টি রিংকেল ক্রিম। ডিম, আমন্ড অয়েল, মধু ইত্যাদি প্রাকৃতিক

গরমে ত্বকের যত্নে করনীয়

গরমে ত্বকের যত্নে করনীয়

এসেছে তীব্র গরম। আর নিয়ে এসেছে ত্বকের জন্য নানা জটিলতর সমস্যা। গরমের এই তীব্রতা ও দূষিত বাতাস আপনার ত্বককে করে তোলে শুষ্ক ও নিস্তেজ। আর্দ্রতা ধরে রাখার পাশাপাশি, সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মী ও ঘাম থেকে রক্ষা এবং সতেজভাব ধরে রাখা বেশ কঠিন কাজ। গরমের কারণে ত্বকের নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যাগুলো থেকে সুরক্ষিত থাকতে গরমে চাই ত্বকের বাড়তি কিছু যত্ন। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক এই গরমে কীভাবে ত্বক সতেজ ও সুন্দর রাখা যায়-

ত্বকের যত্নে হাতে তৈরি নাইট ক্রিম

ত্বকের যত্নে হাতে তৈরি নাইট ক্রিম

রাতের বেলা ত্বকের কিছুটা যত্ন নেয়া আমাদের বিউটি রুটিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কারন রাতের বেলা বা ঘুমের সময়টাতে ত্বকের জন্য ব্যবহৃত রূপচর্চা পণ্যের উপাদানগুলো কাজ করতে পারে ভালভাবে। তাই এ সময়টাতে কিছুটা সময় নিয়ে ত্বকের সামান্যতম যত্ন নেয়া আমাদের সকলের জন্যই বেশ দরকারি। আর এজন্য একটি ভালো নাইট ক্রীমই হতে পারে আপনার ভরসার যায়গা। ত্বকের অনাকাঙ্ক্ষিত দাগ, হারিয়ে যাওয়া উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনাসহ দীপ্তিময় মসৃণ ত্বকের জন্য প্রাকৃতিক নাইট ক্রিম হতে পারে একমাত্র ভরসা। আজ এরকমই

রূপচর্চায় কাঠবাদামের ব্যবহার

রূপচর্চায় কাঠবাদামের ব্যবহার

এ কথা আমরা সবাই জানি, মানবশরীরের জন্য কাঠবাদাম খুবই উপকারি একটি খাদ্য বীজ। কিন্তু শুধু খাবারে হিসেবে নয়, নানান উপায়ে রূপচর্চায়ও ব্যবহৃত হয়ে থাকে কাঠবাদাম। রূপচর্চায়ও এটি যে কতটা গুনাগুনে ভরপুর উপাদান তা কমবেশি আমাদের সবারই জানার কথা। কারন কাঠবাদাম এমন একটি ফল যার মধ্যে রয়েছে ঔষধী এবং ত্বক যত্নের জন্য ভেষজ ময়েশ্চারাইজারের ভরপুর উপাদান। তাই কাঠবাদাম এবং এর থেকে তৈরি তেল রূপচর্চায় ব্যবহার করে আসছে বহুকাল থেকে। তাছাড়া কাঠ বাদামে আছে ডায়েট ফাইবার যেটা

চুলে তেল ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা

চুলে তেল ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা

নারীর সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে প্রাচীনকাল থেকেই একটা ধারনা বর্তমান তা হলো চুলের যেকোনো সমস্যারই সমাধান যেন চুলে তেল ব্যবহারেই পাওয়া যায়। বিষয়টি কিন্তু আসলে একবারে সঠিক। সুস্থ সুন্দর চুলের জন্য তেল ব্যবহারের কোন বিকল্প নেই। বিশেষজ্ঞরা বলেন, চুলের জন্য সবচেয়ে ভালো খাবার হলো তেল। বহুকাল ধরেই চুলে গরম তেলের ব্যবহার হয়ে আসছে। আগের দিনে ছোটবেলায় মা-দাদীরা চুলে বিলি কেটে তেল দিয়ে দিতেন। কিন্তু টিনএজে যাওয়ার পর থেকেই মাথায় তেল দেওয়া বন্ধ। আর আজকাল তো চুলে তেল

ছোট বাচ্চাদের চুলের যত্ন

ছোট বাচ্চাদের চুলের যত্ন

আমরা বড়রা আমাদের চুলের যত্ন নেবার জন্য কত কিছুই না করে থাকি। কিন্তু এক বারও কি ভেবে দেখেছেন আপনার বাসার ছোট্ট শিশুটিরও চুলের জন্য সমান ভাবে যত্নের প্রয়োজন আছে। আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যারা শখ করে তাদের বাচ্চাদের চুল বড় রেখে দেন। এই সব বাচ্চাদের মধ্যে কারো কারো চুন এমনিতেই জন্মগত ভাবে অনেক সুন্দর হয়ে থাকে। আবার কারো কারো চুল হয় বা অততা ভাল নাও অতে পারে। কারো চুল হয় বেশ কোকড়া, আবার কারো

আপনার শিশু কি স্বাভাবিকভাবে (বারো মাসে) বেড়ে উঠছে?

বাবা মায়ের জন্য খুব উত্তেজনাকর একটি সময় হলো বিশেষ করে প্রথম বাচ্চার ক্ষেত্রে  শিশুর প্রথম বছরে পদার্পন। কম বেশি সব বাবা-মাই ভাবেন আরে! এই তো সেদিন এইটুকুন বাবুর আজকে একবছর হয়ে গেলো! সদ্য নিজের পায়ে দাঁড়াতে শেখা বাবুর দুষ্টু মিষ্টি কাণ্ড-কারখানা দেখে স্মৃতি থেকে, গর্ভাবস্থা থেকে শুরু করে শিশুর জন্মের প্রথম কয়েকমাস মায়ের উপর যাওয়া ধকল গুলো আস্তে আস্তে হালকা হতে শুরু করে। শিশুর শারীরিক বৃদ্ধিঃ বেশীরভাগ বাচ্চাই ১২ মাসে নিজের পায়ে ভর করে উঠে

আপনার শিশু কি স্বাভাবিকভাবে (এগারো মাসে) বেড়ে উঠছে?

এগারো মাসের বাবুটি এখন অনেক কিছুই বুঝতে শিখবে- যেমন ‘না’ বলা। আমরা শিশুদের একটি ক্যাম্পাইনের কথা জানি শিশুদের জন্য ‘হ্যাঁ’ বলুন। কিন্তু আপনাকে দিনে অসংখ্যবার এই ক্ষুদে হামাগুড়ি-মাস্টারকে ‘না’ বলতে হবে। কোন কোন বাবু অবশ্য এর মধ্যেই হাটি-হাটি পা পা শুরু করে দিতে পারে। কোন কিছু ধরে বা সাপোর্ট নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়বে, গড়িয়ে বা হামাগুড়ি দিয়ে অনেক দ্রুতই পোঁছে যাবে ঘরের আনাচে কানাচে। তাই বিপদজনক কিছুর প্রতি আগ্রহী হলে , দ্রুত তাকে না বলুন। তবে

আপনার শিশু কি স্বাভাবিকভাবে (দশম মাসে) বেড়ে উঠছে?

বাচ্চাদের যে বয়সটায় তারা সবচেয়ে বেশি আদর কাড়ে, এ বয়সটি তার মাঝেই পড়ে। বাবুর শারিরিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঠিক ঠাক হচ্ছে কিনা লক্ষ্য রাখুন। এ বয়েসে বেশীরভাগ বাচ্চাই খুব হাসিখুশি ও কর্মচঞ্চল থাকে। হামাগুড়ি দেয়া এ সময়ের খুব স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য , যদিও হামাগুড়ি সব বাচ্চা হাঁটুতে ভর দিয়ে দেয় না। কোন বাচ্চা বুক আর পেটে ভর দিয়ে, কেউবা এক হাঁটু ব্যবহার করে অদ্ভুত ভঙ্গীতে সামনের দিকে আগানোর এবং ঘরের বিভিন্ন প্রান্তে চলাচল করার চেষ্টা করে। 

আপনার শিশু কি স্বাভাবিকভাবে (নবম মাসে) বেড়ে উঠছে?

নয় মাস বয়সে বাচ্চারা হামাগুড়ি / ক্রলিং করে এবং বেশিরভাগ বাচ্চাই মোটামুটি স্বাধীনভাবে উঠে বসতে পারে। তবে, অন্যের সাহায্য ছাড়া হাঁটা শুরু করতে আরো এক দু- মাস কিংবা তার চেয়ে কিছু বেশিদিন  লাগতে পারে। এ সময় শক্ত কিছু ধরে উঠে দাঁড়াবার চেষ্টা করার প্রবণতা দেখা যায়, কিংবা আপনার হাত ধরে ‘হাঁটি হাঁটি –পা পা’ করতে খুব পছন্দ করে। অনেক সময় নিচু হয়ে বাচ্চাকে হাঁটানো আমাদের জন্য বেশ কঠিন হয়ে যায়, কিন্তু বাচ্চাদের এই নতুন কর্মকাণ্ডে