Browsing Category

টিপস

জেনে নিন শাক-সবজী দীর্ঘদিন তাজা রাখার ট্রিকস্ !

ব্যস্ত জীবনে আপনি সবকিছুরই চটপট সমাধান চান। অনেকেই পুরো সপ্তাহের বাজারটুকু একদিনেই সেরে নিতে চেষ্টা করেন। তালিকা থেকে বাদ যায় না, শাক সবজী ও ফলমূল। তবে এগুলো যতটা কেনা হয় তার প্রায় একটা বড় অংশ নষ্ট হয়ে যায় খুব দ্রুত। তাই খুব বেশি পরিমাণ শাক-সবজী একসাথে না কেনারই পরামর্শ দেবো আমি। চাইলে আপনার বাসার ছাঁদেও করতে পারেন বিভিন্ন প্রকার শাক-সবজীর চাষ। যাই হোক সেটা অন্য টপিক তা নিয়ে অন্যদিন আলোচনা করা যাবে। আজকে জেনে নিন

সময় এখন বসন্ত রোগের।

প্রকৃতিতে চলছে খেলা, এই খুব গরম তো হঠাৎ ঝুম বৃষ্টি। এমন সময় বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস জনিত রোগে ভোগতে পারেন আপনি। এর মধ্যে বসন্ত অন্যতম। বসন্ত রোগ জীবনে একবারই হয়। কোন কোন ক্ষেত্রে দুইবার ও হতে পারে। কিন্তু, এমন সম্ভাবনা খুবই কম। আপনার পরিবাররের সদস্যদের ও নিজেকে এই রোগ থেকে সেরে উঠার কৌশল জেনে রাখতে পারেন, আশা করি কিছুটা হলেও কাজে দেবে। এক: বসন্ত রোগের উপর কারো কোন হাত নেই জীবনে একবার না একবার এই রোগ

কাঁচা আমের জুস।

চলছে কাঁচা আমের মৌসুম, ভিটামিন সি তে ভরপুর এক গ্লাস কাঁচা আমের জুস আপনার ত্বককে করে তুলবে দিগুণ উজ্জল। চলুন তবে দেখে নেই রেসিপিটি … যা যা লাগব কাঁচা আম ছয়-সাতটি। গোলমরিচ গুড়া সামান্য কাঁচামরিচ একটা (ইচ্ছা) লবন পরিমাণমতো চিনি আধা কাপ। ধনে পাতা কুচি সামান্য। বরফ কুচি পরিমাণমতো। পানি এক লিটার   তৈরী পদ্ধতি : আম কুচি করে ধুয়ে নিন। এরপর ব্লেন্ডারে সব উপকরণ একসাথে ব্লেন্ড করে নিন। জুস ছেঁকে নিন। উপরে বরফ কুচি

ইফতারিতে কেমন হওয়া চাই খাদ্যাভ্যাস?

চলে এসেছে কাংখিত মাহে রমজান। প্রতি মুসলমানেরই ইচ্ছা থাকে এই মাসটি খুব ভালো যাক। সুস্থ থাকা এই মাসের অন্যতম একটা চাহিদা। এজন্য আপনাকে থাকতে হবে সচেতন। কেননা সামান্য অসচেতনতা আপনাকে অসুস্থ করে তুলতে পারে। তাই রমজান মাসে আপনার খাদ্যাভ্যাসের প্রতি একটু বাড়তি খেয়াল রাখুন। চলুন দেখে নেই কেমন খাবার খেতে পারেন ইফতারিতে …. 👉 ট্যাংক বা যেকোন ধরণের বাইরের শরবত না খেয়ে খেতে পারেন তাজা ফলের রস। এই সময় বাজারে ফলের যেহেতু অভাব নেই ,

একটি উপাদানেই ধরে রাখুন সৌন্দর্য্য !

নারিকেল তেল, আপনাকে দিতে পারেন নিঁখুত ও উজ্জল সুন্দর ত্বক। সহজলভ্য এই উপাদানের গুণ বলে শেষ করা বেশ দায়। সহজলভ্য বললাম কারণ, হাতের কাছে সব সময় পাওয়া যায় এমন একটি উপাদান হচ্ছে নারিকেল তেল। আর কোন উপাদান এমন ভাবে পুরো শরীরের সৌন্দর্য্য চর্চায় কাজে আসে কি না তা, আমার জানা নেই। নারিকেল তেল আপনাকে দিতে পারে নিঁখুত ত্বক দাঁত , ঠোঁট ইত্যাদি চলুন তবে দেখে নেই নারিকেল তেলের দারুণ সব বিউটি সিক্রেট। নারিকেল তেল টুথপেস্ট

মুচমুচে পালং পাতা !

পালং শাক সব বাঙ্গালীদের কাছেই খুব পরিচিত। এই পাতা দিয়েই তৈরী করে নিতে পারেন দারুণ এক খাবার। জি , বলছিলাম পালং পাতার কথা।ভূনা খিচুরী, পোলাও বা বিরিয়ানীর সাথে খেতে পারবেন মুচমুচে পালং পাতা। তাছাড়া বিকেলের চায়ের সাথেও খেতে পারবেন এই খাবার। তবে আর কথা না বাড়াই। এক নজরে দেখে নিন রেসিপি…. তৈরী করতে যা যা লাগবে : পালং পাতা দশ বারোটার মতো। বেসন আধা কাপ। লাল মরিচ গুড়া আধা চা চামচ হলুদ গুড়া এক চিমটি

রঙ ছাড়াই রঙিন চুল !

একই সেই কালো চুল দেখতে দেখতে কি বিরক্ত ? চুলে একটু রঙের আভা হলে মন্দ হয় না। তবে এজন্য কি ক্যামিকেল ছাড়া আর কোন উপায় আছে ??? বাজারের ক্যামিকেল চুলকে ধংস করে দিতে যথেষ্ট। উপায় অবশ্য আছে। প্রাকৃতিক উপাদানই চুলে ছড়াবে রঙের আভা। আর এতে আপনার চুলের কোন ক্ষতিও হবে না। তবে চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কিভাবে ন্যাচারালি চুল রঙ করতে পারেন। ১: মেহদী : চুল রঙ করতে মেহদীর মতো কার্যকর কোন উপাদান

ঘরোয়া উপায়ে চুল সোজা করার উপায়।

ঘন রেশমি সোজা চুল সবারই স্বপ্ন। তবে অনেকেরই চুল প্রাকৃতিক উপায়েই কোকড়া। চুল সোজা করতে অনেকেই বেছে নেন রিবন্ডিং কে কিন্তু, আসলে রিবন্ডিং চুলের জন্য কতটা নিরাপদ। চুলের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি করতে পারে রিবন্ডিং। কারণ এতে বিভিন্ন প্রকার ক্যামিকেল ব্যবহার করা হয়। যা চুলের মারাত্মক ক্ষতি করে। তাছাড়া নির্দিষ্ট একটা সময় পর চুল পূর্বের চেয়েও বেশি খসখসে ও মলিন হয়ে যায়। তবে, কেনো বলুন ক্যামিকেল ব্যবহার করবেন যখন, হাতের কাছেই ঘরোয়া কিছু উপাদান আছে, যা আপনার

খাবারেই আছে মেডিসিন !

  আজকাল রোগ বালাই হঠাৎ করেই হাজির হয়। আর আপনি নির্ভর করেন ঔষধের উপর। জ্বর , কাশি ইত্যাদি ছোট বড় ব্যাপারে আমরা ঔষধ খেয়েই অভ্যস্থ তবে, প্রশ্ন হলো এই ঔষধগুলো আসলে কতটুকু নিরাপদ ? বিভিন্ন ঔষধের আছে বিভিন্ন প্রকার সাইড এফেক্ট ! তাছাড়া বয়স্ক ব্যক্তি বা ছোট বাচ্চাদের উপর এইসব পাওয়ার ফুল ঔষুধের খারাপ প্রভাবও পড়তে পারে ! ভাবুনতো , এমন কিছু কি আছে যা রোগ তাড়াবে আবার আপনার কোন ক্ষতিও করবে না ! হ্যা,

রাখবে ভালো লেবু পানি !

লেবুর অনেক গুণ অমাদের জানা আছে। তবে লেবু পানীয় পুরো শরীরকে কতটা ভালো রাখতে পারে তা জেনে অনেকটা অবাক হবেন আপনি ! চলুন দেখে নেওয়া যাক কোন ধরনের উপকারে আসতে পারে লেবু পানি,… 👈 শরীরে যখন খারাপ টক্সিন সৃষ্টি হয় তখন এর সর্বপ্রথম প্রভাব পড়ে ত্বকের উপর। শরীরকে হাইড্রেট করে লেবু পানীয় এই টক্সিন দুর করে । ফলে শরীরে পানি শূন্যতাও হবে না। আর আপনার ত্বকও ভেতর থেকে উজ্জল 👉 শরীরের ন্যাচারাল পি.এইচ ধরে রাখতে