Browsing Category

স্বাস্থ্য-কথা

কাঁচা-আমের-স্বাস্থ্য-উপকারিতা-জানুন

কাঁচা আমের স্বাস্থ্য উপকারিতা জানুন

ফলের রাজা আম। স্বাদে, পুস্টিতে ভরপুর আম যুগে যুগে মানুষের তৃপ্তি মিটিয়ে এসেছে। ছোট- বড় সবার খুব প্রিয় রসাল আম। আমের স্বাদ যে একবার পেয়েছে তাকে আর আম থেকে দূরে রাখা যায় নি। আমে রয়েছে মনমাতানো সুগন্ধযুক্ত স্বাদ, যা আমাদের শরীর ও মনকে চাঙ্গা করে তোলে খুব সহজেই। আম কাঁচা বা পাকা দুইভাবেই আমাদের ভোজন বিলাসে সাহায্য করে থাকে। গ্রীষ্মকাল মানেই নানা রকম স্বাদ ও গন্ধের ফল-ফলাদির সমাহার। গরম থেকে বাঁচতে বিভিন্ন রকমের রসাল ও

ঘুম নিয়ে আমাদের যত ভুল ধারণা

ঘুম মানুষের জীবনে সবচেয়ে প্রশান্তির জিনিস এবং প্রয়োজনীয়ও। পর্যাপ্ত ঘুমের কারণেই একটা শিশু সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে পারে। ভালোমত ঘুম না হলে গা ম্যাজম্যাজ করে, দুর্বল লাগে। এ কারণে শরীরে দানা বাঁধতে পারে নানান রকম অসুখও। এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস নিয়ে আমাদের হেলাফেলার অন্ত নেই! আসুন জেনে নেই, ঘুম নিয়ে আমাদের প্রচলিত ভুল ধারণাগুলো কি কি- দৈনিক ৫ ঘন্টা না ঘুমালেও চলবেঃ দৈনিক ৫ ঘন্টা না ঘুমালেও চলবে? আসলেই কি চলবে? না মোটেও চলবে না। আপনি

গরমে ত্বকের যত্নে করনীয়

গরমে ত্বকের যত্নে করনীয়

এসেছে তীব্র গরম। আর নিয়ে এসেছে ত্বকের জন্য নানা জটিলতর সমস্যা। গরমের এই তীব্রতা ও দূষিত বাতাস আপনার ত্বককে করে তোলে শুষ্ক ও নিস্তেজ। আর্দ্রতা ধরে রাখার পাশাপাশি, সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মী ও ঘাম থেকে রক্ষা এবং সতেজভাব ধরে রাখা বেশ কঠিন কাজ। গরমের কারণে ত্বকের নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যাগুলো থেকে সুরক্ষিত থাকতে গরমে চাই ত্বকের বাড়তি কিছু যত্ন। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক এই গরমে কীভাবে ত্বক সতেজ ও সুন্দর রাখা যায়-

যত্ন নিন হাত-পায়েরও

যত্ন নিন হাত-পায়েরও

মুখের তুলনায় হাত-পায়ের যত্ন তুলনামূলকভাবে সবসময়েই কম নেওয়া হয়, আর এজন্য মুখের তুলনায় হাত ও পায়ের রং কালো দেখা যায়। তাছারা হাত-পায়ের ব্যবহার আমাদের শরীরের অন্যান্য অর্গান গুলোর তুলনায় অনেকাংশেই বেশি। আমরা প্রতিদিনই দুই হাতে অনেক ধরনের কাজ করি এবং দুই পায়ের কাজ তো আছে হাঁটাহাঁটি করা। তাই আমাদের নিয়মিত হাত ও পায়ের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। নিয়মিত যত্ন নিলে আপনার হাত ও পা থাকবে নরম, কোমল ও মসৃণ। কিন্তু সেই যত্ন অবশ্যই হতে হবে যথাযথ

আপনার শিশু কি স্বাভাবিকভাবে (বারো মাসে) বেড়ে উঠছে?

বাবা মায়ের জন্য খুব উত্তেজনাকর একটি সময় হলো বিশেষ করে প্রথম বাচ্চার ক্ষেত্রে  শিশুর প্রথম বছরে পদার্পন। কম বেশি সব বাবা-মাই ভাবেন আরে! এই তো সেদিন এইটুকুন বাবুর আজকে একবছর হয়ে গেলো! সদ্য নিজের পায়ে দাঁড়াতে শেখা বাবুর দুষ্টু মিষ্টি কাণ্ড-কারখানা দেখে স্মৃতি থেকে, গর্ভাবস্থা থেকে শুরু করে শিশুর জন্মের প্রথম কয়েকমাস মায়ের উপর যাওয়া ধকল গুলো আস্তে আস্তে হালকা হতে শুরু করে। শিশুর শারীরিক বৃদ্ধিঃ বেশীরভাগ বাচ্চাই ১২ মাসে নিজের পায়ে ভর করে উঠে

আপনার শিশু কি স্বাভাবিকভাবে (এগারো মাসে) বেড়ে উঠছে?

এগারো মাসের বাবুটি এখন অনেক কিছুই বুঝতে শিখবে- যেমন ‘না’ বলা। আমরা শিশুদের একটি ক্যাম্পাইনের কথা জানি শিশুদের জন্য ‘হ্যাঁ’ বলুন। কিন্তু আপনাকে দিনে অসংখ্যবার এই ক্ষুদে হামাগুড়ি-মাস্টারকে ‘না’ বলতে হবে। কোন কোন বাবু অবশ্য এর মধ্যেই হাটি-হাটি পা পা শুরু করে দিতে পারে। কোন কিছু ধরে বা সাপোর্ট নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়বে, গড়িয়ে বা হামাগুড়ি দিয়ে অনেক দ্রুতই পোঁছে যাবে ঘরের আনাচে কানাচে। তাই বিপদজনক কিছুর প্রতি আগ্রহী হলে , দ্রুত তাকে না বলুন। তবে

আপনার শিশু কি স্বাভাবিকভাবে (দশম মাসে) বেড়ে উঠছে?

বাচ্চাদের যে বয়সটায় তারা সবচেয়ে বেশি আদর কাড়ে, এ বয়সটি তার মাঝেই পড়ে। বাবুর শারিরিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঠিক ঠাক হচ্ছে কিনা লক্ষ্য রাখুন। এ বয়েসে বেশীরভাগ বাচ্চাই খুব হাসিখুশি ও কর্মচঞ্চল থাকে। হামাগুড়ি দেয়া এ সময়ের খুব স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য , যদিও হামাগুড়ি সব বাচ্চা হাঁটুতে ভর দিয়ে দেয় না। কোন বাচ্চা বুক আর পেটে ভর দিয়ে, কেউবা এক হাঁটু ব্যবহার করে অদ্ভুত ভঙ্গীতে সামনের দিকে আগানোর এবং ঘরের বিভিন্ন প্রান্তে চলাচল করার চেষ্টা করে। 

আপনার শিশু কি স্বাভাবিকভাবে (নবম মাসে) বেড়ে উঠছে?

নয় মাস বয়সে বাচ্চারা হামাগুড়ি / ক্রলিং করে এবং বেশিরভাগ বাচ্চাই মোটামুটি স্বাধীনভাবে উঠে বসতে পারে। তবে, অন্যের সাহায্য ছাড়া হাঁটা শুরু করতে আরো এক দু- মাস কিংবা তার চেয়ে কিছু বেশিদিন  লাগতে পারে। এ সময় শক্ত কিছু ধরে উঠে দাঁড়াবার চেষ্টা করার প্রবণতা দেখা যায়, কিংবা আপনার হাত ধরে ‘হাঁটি হাঁটি –পা পা’ করতে খুব পছন্দ করে। অনেক সময় নিচু হয়ে বাচ্চাকে হাঁটানো আমাদের জন্য বেশ কঠিন হয়ে যায়, কিন্তু বাচ্চাদের এই নতুন কর্মকাণ্ডে

আপনার শিশু কি স্বাভাবিকভাবে (অষ্টম মাসে) বেড়ে উঠছে?

অষ্টম মাসে আপনার বাচ্চা আরো একটিভ আর চঞ্চল হয়। হামাগুড়িঃ বাচ্চারা সাধারণত হাত দিয়ে নিজেকে সামনের দিকে আগাতে শেখে,  তারপর হাত আর হাঁটুতে  ভর দিয়ে উঠতে চেষ্টা করে।  তারপর, সেই ভঙ্গিতে সামনে আগানোর, এবং পেছানোর প্র্যাকটিস শুরু করতে পারে।  হামগুড়ির ভঙ্গি করতে শেখার পরও অনেক বাচ্চা হামাগুড়ি দেয় না, কিংবা দিতে পছন্দ করে না। অনেকে আবার হামাগুড়ি না দিয়ে হাত বুক আর পেটের উপর ভর করে চলাচল করতে পছন্দ করে। যেভাবেই হোক, ক্রিপিং কিংবা হামাগুড়ি

আপনার শিশু কি স্বাভাবিকভাবে (সপ্তম মাসে) বেড়ে উঠছে?

সপ্তম মাসে প্রবেশ করার পর বাচ্চারা আরও বেশী চঞ্চল ও আরও বেশী আবেগপ্রবণ হতে থাকে। সেইসাথে মানবশিশু হিসেবে নিজস্ব স্বকীয়তা , স্বাধীনতা এবং ব্যাক্তিত্ব গঠন ও প্রকাশিত হতে শুরু করে। এ বয়সে বাচ্চা তার চারপাশের সবকিছুর প্রতি খুব কৌতূহলী হয়। এই কৌতূহল তার মানসিক বিকাশকে তরান্বিত করে। বাচ্চার সাথে কথোপকথন, তার প্রয়োজনে সাড়া দেয়া, নিরাপদ ও বয়স উপযোগী বিভিন্ন খেলনা দিয়ে শিশুর মনোরঞ্জন করা এবং সর্বোপরি সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। আগের মাসগুলোর চাইতে তুলনামূলকভাবে