Browsing Category

জানার আছে অনেক কিছু

চটপট তৈরি হেয়ার প্যাক

চটপট তৈরি হেয়ার প্যাক

চুলের যত্নে আমরা কত কিছুই না করে থাকি। চুল সুন্দর ও ঝলমলে রাখতে আমরা সবাই চাই আর সেজন্যই চুলের এতো যত্নআত্নি। আবার প্রতিদিনকার ব্যস্ত শিডিউলের মাঝে চুলের জন্য বেশ কিছুটা সময় বের করে খানিকটা যত্ন নেয়াও হয়ে উঠেনা। তাই অনেকসময়ই প্রিয় চুলে দেখা দেয় ড্যামেজ, চুল পড়া ও খুশকির মত নানান সমস্যা। আর সেজন্যই আজ জানাব এমন কয়েকটি প্যাক বানানোর পদ্ধতি যা আপনি খুব সহজেই ঘরে থাকা উপকরণ দিয়ে চটপট বানিয়ে ফেলতে পারবেন এবং রোজকার

সফল ব্যাক্তিরা মেনে চলেন এমন ১০টি কার্যকরি টিপস

সফল ব্যাক্তিরা মেনে চলেন এমন ১০টি কার্যকরি টিপস

সাফল্য আমরা সকলেই চাই। কিন্তু সাফল্য কিন্তু সবার কাছে ধরা দেয় না। কিছু কিছু মানুষ আছেন যারা জীবনের চলার পথে পদে পদে নতুন করে সাফল্যের দেখা পান। আবার আমাদের মধ্যে এমন কিছু মানুষও আছেন যারা হাজার চেষ্টা করেও সাফল্যকে ধরতে পারেন না। তাদের কাছে সাফল্য মানেই যেন মরিচিকা। শুধু দেখা যায়, ধরা যায় না। আসলে সাফল্য কিন্তু এক দিনে আসা সম্ভব নয়। ধীরে ধীরে একটু একটু করে সাফল্যের পুজি জমা করতে হয়। সাফল্য লাভের ক্ষেত্রে

মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সেক্টর কমান্ডার

১নং সেক্টর চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে ফেনী নদী পর্যন্ত কমান্ডারঃ মেজর জিয়াউর রহমান (এপ্রিল – জুন) মেজর রফিকুল ইসলাম (জুন-ফেব্ৰুয়াৱী) ২নং সেক্টর নোয়াখালী জেলা, কুমিল্লা জেলার আখাউড়া-ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত এবং ফরিদপুর ও ঢাকার অংশবিশেষ কমান্ডারঃ মেজর খালেদ মোশাররফ (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) মেজর এ.টি.এম. হায়দার (সেপ্টেম্বর-ফেব্ৰুয়ারী) ৩নং সেক্টর সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা, কিশোরগঞ্জ মহকুমা, আখাউড়া-ভৈরব রেললাইন থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে কুমিল্লা ও ঢাকা জেলার অংশবিশেষ কমান্ডারঃ মেজর কে.এম. শফিউল্লাহ (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) মেজর এ.এন.এম. নুরুজ্জামান (সেপ্টেম্বর-ফেব্ৰুয়ারী) ৪নং সেক্টর সিলেট জেলার

জানার আছে – সুফিয়া কামাল

সুফিয়া কামাল ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সৈয়দ আব্দুল বারী ও সৈয়দা সাবেরা খাতুনের সন্তান। তাঁর বাবা ছিলেন কুমিল্লার বাসিন্দা। সুফিয়া কামাল একুশে পদক, বেগম রোকেয়া পদক, জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কার সহ ৫০টি পুরষ্কার অর্জন করেছেন। যখন সুফিয়া কামাল জন্মগ্রহন করেন তখন বাঙালি মুসলিম নারীদের গৃহবন্দী জীবন কাটাতে হত। স্কুল-কলেজে পড়ার কোন সুযোগ তাদের ছিলো না। পরিবারে বাংলা ভাষার প্রবেশ একরকম নিষিদ্ধ ছিল। এমন পরিবেশে সুফিয়া কামালের বাংলা শিক্ষা

জানার আছে – বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন

বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন  একজন বাঙালি চিন্তাবিদ, প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক, সাহিত্যিক, সমাজ সংস্কারক ও ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি। তাঁর জন্মকাল ৯ ডিসেম্বর ১৮৮০ – ৯ ডিসেম্বর ১৯৩২। ছোটগল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, উপন্যাস, বিজ্ঞান কল্পকাহিনী ও শ্লেষাত্মক রচনায় বেগম রোকেয়ার লেখনী ছিল স্বকীয় বৈশিষ্ট্য মন্ডিত। উদ্ভাবনা, যুক্তিবাদিতা এবং কৌতুক প্রিয়তা তাঁর রচনার মূল বৈশিষ্ট্য। তাঁর প্রবন্ধের বিষয়গুলো ব্যাপক ও বিস্তৃত। রোকেয়ার বিভিন্ন রচনায় বিজ্ঞান সম্পর্কেও তাঁর জ্ঞানের পরিচয় পাওয়া যায়। ১৯০৪ সালে প্রকাশিত মতিচূর প্রবন্ধগ্রন্থে তিনি যৌক্তিকভাবে নারী-পুরুষের সমকক্ষতার

জানার আছে – জসীম উদ্‌দীন

ঐতিহ্যবাহী বাংলা কবিতার মূল ধারাটিকে নগরসভায় নিয়ে আসেন যিনি, তিনিই আমাদের পল্লীকবি, জসীম উদ্‌দীন (১ জানুয়ারি ১৯০৩ – ১৩ মার্চ ১৯৭৬)। তিনি একজন বাঙালি কবি, গীতিকার, ঔপন্যাসিক ও লেখক। জসীম উদ্‌দীন আবহমান বাংলার সাংস্কৃতিক, ঐতিহ্যে লালিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ আধুনিক কবি। বাংলা ভাষার গীতিময় কবিতার উৎকৃষ্টতম নিদর্শন নকশী কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট জসীম উদ্‌দীনের রচনা। তাঁর কবিতা বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। জসীম পূর্ব বঙ্গ গীতিকার একজন সংগ্রাহকও। তিনি ১০,০০০ এরও বেশি লোক সংগীত সংগ্রহ

জানার আছে – জীবনানন্দ দাশ

জীবনানন্দ দাশ বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, লেখক, প্রাবন্ধিক ছিলেন। তাঁর জীবনকাল বাংলায়ঃ ৬ ফাল্গুন, ১৩০৫ – ৫ কার্তিক, ১৩৬১ এবং ইংরেজিতেঃ ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯ – ২২ অক্টোবর, ১৯৫৪। তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথ প্রদর্শকদের মধ্যে অন্যতম। জীবনানন্দের প্রথম কাব্যে নজরুল ইসলামের প্রভাব থাকলেও দ্বিতীয় কাব্য থেকেই তিনি হয়ে ওঠেন মৌলিক ও ভিন্ন পথের অনুসন্ধানী। মৃত্যুর পর থেকে শুরু করে বিংশ শতাব্দীর শেষ ধাপে তিনি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেন এবং ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দে যখন

জানার আছে – কুসুমকুমারী দাশ

কুসুমকুমারী দাশ একজন বাঙালি কবি। তার রচিত “আদর্শ ছেলে” বিভিন্ন পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য তিনি সর্বাধিক পরিচিত। কবির জ্যেষ্ঠ পুত্র জীবনানন্দ দাশ বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান এবং জনপ্রিয় কবি। কবি কুসুমকুমারী দাশ বাখরগঞ্জ জেলার বরিশাল শহরে ২১শে পৌষ ১২৮২ বঙ্গাব্দে এক বিদ্যানুরাগী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা চন্দ্রনাথ দাশ এবং মাতা ধনমাণি। চন্দ্রনাথ ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করায় গ্রামবাসীদের বিরোধিতায় “গৈলা” গ্রামের পৈতৃক ভিটা ছেড়ে বরিশালে চলে আসেন। কুসুমকুমারী একটি পারিবারিক পরিমণ্ডল পেয়েছিলেন। বরিশাল ব্রাহ্মসমাজ

জানার আছে – সুকুমার রায়

সুকুমার রায় একজন বাঙালি শিশুসাহিত্যিক এবং ভারতীয় সাহিত্যে বিখ্যাত “ননসেন্স রাইমের” প্রবর্তক। তাঁর জন্মকাল ৩০ অক্টোবর, ১৮৮৭ – ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩। তিনি একাধারে লেখক, ছড়াকার, শিশুসাহিত্যিক, রম্যরচনাকার, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও সম্পাদক। তিনি জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর সন্তান এবং খ্যাতিমান চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের বাবা। উপেন্দ্রকিশোরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, যিনি সুকুমারকে সাহিত্য চর্চায় সরাসরি প্রভাবিত করেছিলেন। এছাড়াও রায় পরিবারের সাথে জগদীশ চন্দ্র বসু, আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় প্রমুখের সম্পর্ক ছিল। তাই বলে চলে, তাঁর পারিবারে সাহিত্যানুরাগী

জানার আছে – রবি ঠাকুর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অগ্রণী বাংলার একজন কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক ছিলেন। তাঁর জীবনকাল ২৫শে বৈশাখ, ১২৬৮ – ২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ (বাংলায়) এবং 07 May, 1861 – 07 August, 1941 (ইংরেজিতে)। তাঁকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। রবি ঠাকুরকে গুরুদেব, কবিগুরু ও বিশ্বকবি অভিধায় ভূষিত করা হয়। রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ৩৬টি প্রবন্ধ, ১৩টি উপন্যাস ও অন্যান্য গদ্য সংকলন তাঁর জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর পরে প্রকাশিত হয়।