Browsing Category

জানার আছে অনেক কিছু

এই গরমে ত্বকের স্বস্থিতে বরফ কুচির উপকারীতা।

এই গরমে ঘামে নেয়ে ত্বকের অবস্থা যাচ্ছেতাই!  ত্বক যেনো খোঁজে ফিরছে একটু স্বস্থির পরশ। গরমের এই দিনগুলোতে ত্বকের অনেক সমস্যাই দূর করবে বরফ কুচি। চলুন দেখে নেওয়া যাক শুধু মাত্র বরফ কুচি কি কি উপকার করবে আপনার ত্বকের। ১ঃ ব্রণ সারাতে – ত্বকে ময়লা ও ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে জন্ম নেয় ব্রণ। গরমের দিনে ব্রণের আক্রমণ দিগুণ বেড়ে যায়। এ থেকে মুক্তি পেতে ব্রণের উপর লেবুর রস লাগিয়ে নিন। এরপর বরফ কুচি দিয়ে ভালো করে স্কিন ম্যাসেজ

হাতের কাছের জিনিস দিয়েই রূপচর্চা।

ত্বক ভালো রাখতে ক্যামিকেল যুক্ত প্রডাক্টের চেয়ে শতগুণ বেশি কার্যকর হতে পারে হাতের কাছে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান। আজ দেখে নিবো কিভাবে হাতের নাগালে থাকা উপাদান দিয়ে যত্ন নিবেন ত্বকের। এলোভেরা ও লেবুর রস ঃ এলোভেরা ও লেবুর রস দুটোই ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। লেবুর রস প্রাকৃতিক ব্লিচিং হিসেবে কাজ করে। ব্যবহারবিধিঃ এক টেবিল চামচ লেবুর রস ও এক টেবিল চামচ এলোভেরা জেল একসাথে মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন আধা ঘন্টার মতো। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে

দুটি উপাদানে কার্যকরী ফেস ময়েশ্চারাইজার।

ত্বকের  ব্যাপারে আমরা সবাই একটু বেশি যত্নশীল। গরমের এই সময়টাতে আমরা ঠিক বুঝে উঠতে পারিনা যে, কোন ধরনের ময়েশ্চারাইজার আমাদের  স্কিনের জন্য ভালো হবে।  আজ দেখে নিবো কিভাবে মাত্র দুটি উপকরণ দিয়ে আপনি নিজেই নিত্যদিন ব্যবহারযোগ্য ময়েশ্চারাইজার ক্রিম তৈরী করতে পারবেন। যা যা লাগবে ঃ এলোভেরা জেল এক টেবিল চামচ ( বাজারের বোতলের ঘন এলোভেরা জেল হতে হবে) নারিকেল তেল (অর্গানিক) দেড় চা চামচের মতো। প্রস্তুতকরণঃ একটি কাঁচের পাত্রে এক টেবিল চামচ এলোভেরা জেল নিন। এবার এতে

আম কেন খাবেন?

রসাল, খেতে খুবই মজা এক ফল আম। গ্রীষ্মের দাবদাহের দিনে আম স্রস্টার এক বিশেষ আশীর্বাদ।গরমে আম খেলে শরীর ও প্রাণ জুড়িয়ে যায়।আম এতো মজা খেতে গিয়ে আমাদের অনেক সময় এর কত যে স্বাস্থ্য উপকারিতা তা ভুলেই যাই।তাই কেউ যদি জিজ্ঞেস করে যে আমা কেন খাবেন? আমরা কি এর উত্তর ঠিকঠাক দিতে পারব? আসুন আজ তবে একটু জেনে নিই পৃথিবীর ফলের রাজা আমের ৭টি গুনাগুণ। ১. কোলেস্ট্ররল কম করে আমের উচ্চ মাত্রার ফাইবার, পেকটিন ও ভিটামিন

ডিমের মগজ ভুনা:

ডিম মগজ ভুনা,নামটা খুব অদ্ভুত শুনাচ্ছে তাই না?ভাবছেন গরু,খাসী,ভেড়া এগুলোর মগজের নাম শুনেছি, কিন্তু ডিমের মগজ তো শুনিনি।অবাক হওয়ার কিছু নাই।ডিম দিয়ে রেসিপির অভাব নাই।শুনেছি  ইংল্যান্ডে একজন বাঙালী সেফ ডিম  দিয়ে দু’শো রকমের রেসিপি বানিয়েছেন এবং খুবই প্রশংসা কুড়িয়েছেন।আমাদের হাতের কাছে যে উপকরণ সব সময় থাকে তা হচ্ছে ডিম।যা দিয়ে আমরা খুব সহজেই বিভিন্ন মজাদার রেসিপি তৈরি করে থাকি।ডিম দিয়ে আজ যে রেসিপিটা দিব তা একেবারে ভিন্নধর্মী।রেসিপির নামের সাথে কাজেরও মিল পাবেন।হে পাঠক ডিম মগজ

সৌন্দর্য্য চর্চায় কফি।

কফি, সকালের শুরু বা সন্ধ্যার পড়ার টেবিলে এক কাপ কফি এনে দিতে পারে স্বস্থি!  ওজন কমাতেও জুরি নেই কফির। চুল রাঙাতেও কাজে আসে কফি। এছাড়াও সৌন্দর্য্য চর্চায়ও কিন্তু কফির আছে নানা গুণ। কথা না বাড়িয়ে এক নজরে দেখে আসি কফির কিছু ভিন্নতর ফায়দা! ১: মসৃন ও কোমল ত্বক : কফি অনেক ভালো বডি স্ক্রাব হিসেবে কাজ করে। কফি ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে (পানি ছাড়া) আরো মিহি করে নিন এর সাথে ব্রাউন সুগার, দু এক ফোঁটা ভ্যানিলা

দেহের প্রয়োজনে প্রোটিন।

প্রোটিন সম্পর্কে আমরা কতটুকু জানি? শরীরের যত্নে প্রোটিনের গুরুত্বের কথা সবারই জানা উচিত কারন প্রোটিন ছাড়া আমাদের দেহ বলতে গেলে অচল। তাই আমাদের প্রোটিন কি এবং কোন কোন খাবারে প্রোটিন পাওয়া যায় এবং আমাদের দেহের জন্য প্রোটিনের গুরুত্ব কত খানি এ সব ই আমাদের জানা উচিত। তাহলে চলুন আজকে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গুলো সম্পর্কে ধারনা নেয়া যাক এবং শরীরের প্রয়োজনে প্রোটিন কিভাবে কাজ করে থাকে। প্রোটিন কি? মাছ, মাংস, দুুুধ, ডিম, ঘন ডাল—এইসব ছাড়া আমাদের

ত্বক ও চুলের যত্নে আমলা যখন ভরসা

রমজানে ত্বকের যত্ন।

চলছে পবিত্র মাহে রমজান। আবহাওয়া বেশ গরম এখন। আপনার ত্বকের এ সময় চাই আলাদা যত্ন। কিন্তু রমজান মাসে ঠিক তেমন আয়োজন করে ত্বকের যত্ন নেওয়া হয়ে উঠে না। আজকে দেখে নিন কিভাবে সহজেই বিনা ঝামেলায় আপনি নিজের ত্বকের যত্ন নিতে পারবেন। সহজ কিছু ব্যাপার খেয়াল রাখার মাধ্যমে। ১: রমজান মাসে অবশ্যই খুব বেশী করে পানি খেতে হবে। কেননা, এই সময় সারাদিন পানি খাওয়া হয় না। তাই প্রতিদিন অন্তত ৮ গ্লাস পানি খেতে চেষ্টা করুন। পানির

তারুন্য ধরে রাখার ৫ টি খাবার

এই পৃথিবীর প্রতিটা মানুষ ই চায় আজীবন যৌবন ধরে রাখতে এবং চির তরুন থাকতে। কিন্তু সেটা কি কখনো কারো পক্ষে সম্ভব ? না, কিন্তু মানুষ চাইলে বহুদিন পর্যন্ত নিজেকে তরুন দেখাতে পারে। ৩০ – ৪০ বছর এর পর থেকে চেহারার তরুন ভাব টা যেন  দিন দিন কিছুটা কমে যেতে শুরু করে। এর  কারন হলো আমাদের প্রতিদিনের ছোট ছোট কয়েক টা বদঅভ্যাস যা এই প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত করে।  আমাদের একটু সচেতনতা এবং ভালো কিছু অভ্যাস বা ইচ্চ্ছা  চেহারায়

সঠিক সময়, সঠিক খাদ্যভ্যাস।

আপনার  সুস্থতা অনেকটাই নির্ভর করে আপনার খাদ্য অভ্যাসের উপর। রোজ পরিমিত খাবার, সঠিক সময়ে খেলে আপনি শারীরিক ভাবে থাকবেন ফিট। দৈনন্দিন জীবনে খাবার খাওয়ার সঠিক সময়, ও সঠিক খাদ্যভাস নিয়েই আমাদের এই আর্টিকেলটি। সকালের নাস্তা থেকে শুরু করে রাতের খাবার পর্যন্ত আপনাকে নিয়ম মেনে ঠিক খাবারগুলো খেতে হবে।চলুন জেনে নেই বিস্তারিত। সকালের খাবার : প্রতিদিনের খাবারের ভেতর সকালের খাবার বা ব্রেকফাস্ট হচ্ছে, সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ব্যাপার। সকালে ঘুম থেকে উঠেই প্রথমে এক গ্লাস বা দেড় গ্লাস