Browsing Tag

স্বাস্থ্যকথা

দেহের প্রয়োজনে প্রোটিন।

প্রোটিন সম্পর্কে আমরা কতটুকু জানি? শরীরের যত্নে প্রোটিনের গুরুত্বের কথা সবারই জানা উচিত কারন প্রোটিন ছাড়া আমাদের দেহ বলতে গেলে অচল। তাই আমাদের প্রোটিন কি এবং কোন কোন খাবারে প্রোটিন পাওয়া যায় এবং আমাদের দেহের জন্য প্রোটিনের গুরুত্ব কত খানি এ সব ই আমাদের জানা উচিত। তাহলে চলুন আজকে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গুলো সম্পর্কে ধারনা নেয়া যাক এবং শরীরের প্রয়োজনে প্রোটিন কিভাবে কাজ করে থাকে। প্রোটিন কি? মাছ, মাংস, দুুুধ, ডিম, ঘন ডাল—এইসব ছাড়া আমাদের

তারুন্য ধরে রাখার ৫ টি খাবার

এই পৃথিবীর প্রতিটা মানুষ ই চায় আজীবন যৌবন ধরে রাখতে এবং চির তরুন থাকতে। কিন্তু সেটা কি কখনো কারো পক্ষে সম্ভব ? না, কিন্তু মানুষ চাইলে বহুদিন পর্যন্ত নিজেকে তরুন দেখাতে পারে। ৩০ – ৪০ বছর এর পর থেকে চেহারার তরুন ভাব টা যেন  দিন দিন কিছুটা কমে যেতে শুরু করে। এর  কারন হলো আমাদের প্রতিদিনের ছোট ছোট কয়েক টা বদঅভ্যাস যা এই প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত করে।  আমাদের একটু সচেতনতা এবং ভালো কিছু অভ্যাস বা ইচ্চ্ছা  চেহারায়

তেঁতো করলা

তেঁতো করলাকে রান্না করুন এভাবে আর করে তুলুন নিত্যদিনের সুস্থতার সঙ্গী

তেঁতো লাগে কি করলা ? অনেকে তেঁতোটাই পছন্দ করেন, আবার অনেকে পছন্দ করেন না । আবার অনেকে বেশি করে পেঁয়াজ-লঙ্কার সাথে তেঁতুলের ক্বাথ দিয়ে করলা খান স্বাদের ভিন্নতা আনতে। ‘ করলা হতো মিঠা যদি না থাকতো তিতা ‘-এই তেঁতো স্বাদ-ই করলার অনন্য বৈশিষ্ট্য । করলার অনেক গুনাগুন রয়েছে | মানবদেহের — রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, কৃমি দমনে, শরীর ঠান্ডা রাখতে, যে কোন ইনফেকশন থেকে সুরক্ষা দিতে, যকৃত ও বৃক্কের কার্যাবলির সাহায্যে, বহূমূত্র রোগ নিয়ন্ত্রনে সর্বোপরি শরীরের

মাত্র ১ সপ্তাহে পেটের মেদ  কমান

পেটের মেদ নিয়ে অনেকেরই চিন্তার কোন শেষ নেই। পেটের জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ   বা চর্বি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক অনেক ক্ষতিকর । আর তাই এই মেদ কমাতে প্রতিদিন আমরা কত কিছুই না করছি। মেনে চলতে হচ্ছে খুব কঠিন নিয়ম-কানুন, ব্যায়াম, ডায়েট আরো কত কি। অনেকেই আছেন যাদের ফিগার, বডি ফিটনেস ভালো। কিন্তু পেটে মেদ জমে গেছে, তাই শাড়ি বা শার্ট যাই পরা হোক না কেন দেখতে খারাপ দেখা যায়। তাদেরও এই মেদ কমানো নিয়ে চিন্তার শেষ নেই। কিন্তু এইভাবে আর কত দিন চলে বলুন,

আনারসের অজানা কথা

­আনারস ফলটি সবার পরিচিত । এটি আমাদের দেশের খুবই সহজলভ্য এবং সুলভমূল্যে পাওয়া যায় এমন একটা ফল। এটি এক ধরনের গুচ্ছ ফল। আনারসের প্রথম চাষ হয় দক্ষিণ আমেরিকায়। তবে বর্তমানে এই ফলটি প্রায় সব দেশেই ব্যাপকভাবে চাষ করা হচ্ছে এর স্বাদ এবং পুষ্টিগুণ এর জন্য। এই ফলটিতে আছে বিভিন্ন পুষ্টিকর  উপাদান, যেমন – ভিটামিন, মিনারেলস, খাদ্যআশ ইত্যাদি।  এই ফলটি খেতে খুবই রসালো, টক – মিষ্টি এবং এতে থাকা পানি শরীরে তৃপ্তিকর অনুভূতি দান করে। আনারসে  অধিক  পরিমাণ ভিটামিন এ, সি, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম এবং পটাশিয়াম বিদ্যমান । এসব ছাড়াও আনারসে অধিক পরিমানে ক্যালোরী বিদ্যমান। এই ফলটি কোলেস্টেরল ফ্রি এবং চর্বিমুক্ত। স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য এ ফলের জুড়ি মেলা দায়। এখন আনারসের মৌসুম চলছে। আর তাই এই গরমে আপনার প্রতিদিনের খাবার তালিকায় আনারস রাখুন। এবার তাহলে চলুন দেখা নেয়া যাক এই ফলটির বিভিন্ন  গুণাগুণ  গুলো – আনারসের পুষ্টিগুণ : শরীরে পুষ্টির যোগান দেয় : আনারসে রয়েছে শরীরে পুষ্টির যোগান দেয়ার খুব বড় একটি অংশ । এই ফলটিতে আছে খুব বেশি পরিমানে ভিটামিন

আঙুর খাওয়ার উপকারিতা

আঙুর দারুন টক – মিষ্টি একটা ফল। আম যদি ‘ফলের রাজা’ হয়, তবে আঙুরকে বলা হয় ‘ফলের রানি’। আর বলার কারন ও আছে। চিকিৎসকরা বলেন, প্রতিদিন নিয়ম করে আঙুর খেলে, শরীরে অনেক রোগ ব্যাধি  বাসা বাধতে পারে না। গল্পে শিয়ালের কাছে আঙ্গুর ফল টক মনে হলেও ফলটি  আসলে মোটেও টক নয়, বরং এর গুণ কিছু বেশি মিষ্টি। ছোট্ট এই ফলটিকে প্রতিদিনের মেনুতে রাখলে পাওয়া যাবে একটি বড় উপকার। আঙ্গুর খেলে থাকবে না আর অন্ধ হয়ে যাওয়ার

কালোজিরা কথন

কালোজিরা আমাদের সকলের পরিচিত। প্রায় প্রতিটি রান্নাঘরেই কালোজিরা থাকে। কালোজিরা আয়ুর্বেদীয় , ইউনানী, কবিরাজী চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। মশলা হিসাবেও ব্যাপক ব্যবহার হয়ে থাকে। সাথে একটি হাদিসজড়িত আছে। হাদিসটি হলো— ‘..আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু‘আলাইহিওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “এ কালোজিরা সাম ব্যতীত সমস্ত রোগের নিরাময় । আমি বললাম: সাম কি? তিনি বললেন: মৃত্যু !” আমাদের আধুনিক ডাক্তারিশাস্ত্র আর ধর্মীয় অনুভূতি যাই বলি না কেন কালোজিরা সবখানে স্বমহিমায় উজ্জ্বল। চলুন জেনে নেওয়া

এই সময়ে সর্দিতে করনীয়

এই সময়ে সর্দিতে করনীয়

এখন বছরের এই সময়ে এই কখনো ঠাণ্ডা লাগছে তো, এই গরম লাগছে। এই সময়টাই সর্দিকাশি বেশি হয়ে থাকে। আর এই সর্দি-কাশি যে কি বিরক্তিকর তা একমাত্র এর ভূক্তভোগীই জানে। আর তার সাথে যদি থাকে এলার্জির সমস্যা তাহলে তো কথাই নেই। যাক সে সব কথা বাদ, আজ দেখে নিই কিভাবে উপশম পাবেন এই সর্দি থেকে। এই সময়ে সর্দিতে করনীয় ** সর্দিকাশি লাগলে ভিতামিন ‘সি; জাতীয় খাবার যেমনঃ মালটা, কমলা বা লেবু খাবেন। এতে অনেকটাই আরাম লাগবে। ** তরল