কাঠবাদামের দুধ তৈরী করুন নিজেই।

কাঠবাদাম তো অনেক খেলেন,কখনো কাঠবাদামের দুধ খেয়েছেন? কাঠবাদামের দুধ অনেক ভাবে আপনার শারীরিক চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম! গরুর দুধের চেয়ে এই দুধের টেস্ট অনক মজাদার বলে খেতেও পারেন মজা করে।

চলুন দেখে নেই কাঠবাদামের দুধ কিভাবে তৈরী করা যায়:

দুই কাপ কাঠ বাদাম পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন। এক লিটার পানিতে বাদাম গুলো সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিন। দুধে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন, ভালো লাগবে।

জেনে নিন :

👉 কাঠবাদামের দুধে ক্যালরির পরিমাণ কম তাই, খেলে ওজন বাড়বে না। এছাড়াও এই দুধ আপনাকে ডায়েটে সহায়তা করবে এবং ওজনের ভারসাম্য রক্ষা করবে।

👉 এই দুধে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ই আছে, যা ভেতর থেকে আপনার ত্বকে পুষ্টি জোগাবে। কাঠবাদামের দুধ ত্বকের ময়েশ্চার ধরে রাখবে।

👉 কাঠবাদামের দুধে কোন কোলেস্টরল নেই বরং এতে আছে ওমেগা ফ্যাটি এসিড , যা আপনাকে হাই ব্লাড প্রেশার থেকে রক্ষা করবে।

👉 কাঠবাদামের দুধে উপস্থিত ভিটামিন ডি আপনার হাড়কে শক্ত এবং মজবুত করতে সাহায্য করবে।

👉 কাঠবাদামের দুধ ডায়বেটিস রোগীরা খেতে পারেন। এই দুধ রক্তে সুগারের পরিমাণ বাড়ায় না তাই নি্র্দ্বিধায় খেতে পারেন।

👉 এই দুধে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন বি এবং আয়রন রয়েছে , যা আপনার হাড়ের গঠনের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।

 

👉 এই দুধ হজম ক্ষমতা বাড়ায়। ভারী খাওয়া পরও এক গ্লাস কাঠ বাদামের দুধ খেতে পারেন।

 

কাঠবাদামের দুধ খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। ভালো জিনিস খেতে একদম বাহানা করা চলবে না কিন্তু ! এই দুধ ফ্রিজে না রাখলেও চলবে । ঘরোয়া তাপমাত্রায় রেখে দিতে পারেন। তবে অবশ্যই পাত্র থেকে দুধ নেওয়ার সময় চামচ দিয়ে একটু নেড়ে নিন পা্তরের নিচে জমে থাকা দুধ এতে ভালো করে মিশে যাবে।

 

মন্তব্যসমূহ

বর্তমানে শিক্ষার্থী এছাড়া আর কিছু করছি না। সিলেটে থাকি। লেখালেখি আমার পুরাতন শখ। আর কখনোই এই শখ বাদ দিতে চাই না। এছাড়া বলার মতো আর কিছু আপাতত খুঁজে পাচ্ছি না।

মন্তব্য করুন