চুলের যত্নে ডিপ-কন্ডিশনিং

চুলের রুক্ষতা দূর করতে কন্ডিশনিংয়ের ভূমিকা ভীষণ। চুল হলো মানুষের সৌন্দর্য্যের খুবই আকর্ষণীয় একটি অংশ। কিন্তু বিভিন্ন কারণে আমাদের চুল রুক্ষ-শুষ্ক হয়ে যায়, চুলের গ্লো হারিয়ে যায়, চুল নির্জীব হয়ে পরে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রান পেতে মাসে ৪-৫ বার চুলে ডিপ-কন্ডিশনিং করলে লক্ষণীয় ফলাফল পাওয়া যায়। তবে প্রতিবার পার্লারে না গিয়ে সময় ও খরচ বাচিয়ে এবং ঝামেলা এড়িয়ে ঘরেই বানিয়ে নিতে পারেন পার্ফেক্ট হেয়ার কন্ডিশনার

আসুন জেনে নিই কিভাবে বানাবেন ন্যাচারাল এই কন্ডিশনার ও কিভাবেই বা করবেন ডিপ-কন্ডিশনিং→

যা যা লাগবেঃ

★পাকা কলা→ ১টি(বড় সাইজের)

★নারিকেলের দুধ→ ৪ টেবিল চামচ

★এলোভেরা জেল→ ২ টেবিল চামচ

★নারিকেল তেল→ ১ টেবিল চামচ

★মধু→ ২ টেবিল চামচ

প্রণালিঃ

প্রথমেই নারিকেল দুধ বানিয়ে নিতে হবে। এরজন্য ১/৪ কাপ কোরানো নারিকেলের সাথে খুবই সামান্য পানি মিশিয়ে(১ টেবিল চামচ পরিমান) ভাল মত ব্লেন্ড করতে হবে। এরপর পরিষ্কার সুতি কাপর দিয়ে ছেকে খোসা ও সাদা তরল বা দুধ টা আলাদা করে নিতে হবে। আর এলোভেরা জেল যদি ন্যাচারাল এলোভেরা লিফ থেকে সংগ্রহ করে ব্যবহার করা যায় তবে ভাল হবে।

এবার কলাগুলোর খোসা ছাড়িয়ে নিয়ে টুকরা টুকরা করে কেটে ব্লেন্ডারে খুব ভালো ভাবে ব্লেন্ড করতে হবে। লক্ষ রাখতে হবে কলা গুলো যেন একদম মিহি পেস্ট হয়। কলা যত মিহি পেস্ট হবে, চুলে সেটা লেগে থাকার সম্ভাবনাও তত কম থাকবে। এতে ওয়াশ করতেও সুবিধা হবে। এবার এতে একে একে অন্যা উপাদান গুলো মিক্স করে নিয়ে আবারো ভালোভাবে ব্লেন্ড করতে হবে(মিশ্রণ বেশি ঘন হয়ে গেলে আরো কয়েক চামচ নারিকেল দুধ এড করা যেতে পারে) ব্যাস! রেডি কন্ডিশনার। এবার ব্যবহার করার পালা।

ব্যবহার পদ্ধতিঃ

পেস্টটি স্কাল্প সহ সম্পূর্ণ চুলে লাগিয়ে প্যাক ব্রাশের সাহায্যে আস্তে আস্তে লাগিয়ে নিতে হবে। লাগানো হয়ে গেলে একটি প্লাস্টিকের ক্যাপ অথবা শাওয়ার ক্যাপ অথবা পলিপ্যাক দিয়ে চুল ঢেকে রাখতে হবে ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা। এরপর চুল ভাল কোনো শ্যাম্পু দিয়ে ওয়াশ করে নিতে হবে।

চুল খুব রুক্ষ হলে ফলাফল পেতে সপ্তাহে অন্তত একবার এই পদ্ধতি অনুসরণ করে চুলে ডিপ কন্ডিশনিং করবেন।

 

মন্তব্যসমূহ

হ্যান্ডিক্রাফটের কাজের প্রতি অগাধ ভালবাসা।প্রচুর ক্রাফটিং করি। আর বিউটি নিয়েও একটু ঘাটাঘাটি করি তাই ক্রাফট এন্ড বিউটি নিয়েই টুকটাক লিখার চেষ্টা করি।

মন্তব্য করুন