ফ্লেভারড বাটার!!

ফ্লেভারড বাটারঃ নতুন স্বাদে খান বাটার!!

সেই প্রাচীনকাল থেকে বাটার বা মাখন ব্যাবহার হয়ে আসছে আমাদের শরীরের এক প্রয়োজনীয় চর্বির উৎস হিসেবে। বাচ্চাদের জন্য খুব দরকারি এই ফ্যাট। সকালের নাস্তায় পাউরুটির সাথে বা কখনও পরোটার সাথেও খাওয়া যায়। কিন্তু একইভাবে আর কত বাটার খাবেন? বাটারেও নিজের পছন্দমত স্বাদ যোগ করে একটু ভিন্নভাবে খেতেই পারেন। তাই আমাদের আজকের আয়োজন ফ্লেভারড বাটারঃ নতুন স্বাদে খান বাটার!!

আজকে ৫ রকম ফ্লেভারের বাটারের তৈরি প্রণালী শেয়ার করছিঃ

প্রথমেই বাটারকে রুম টেম্পারাচারে করে নিতে হবে। মানে হল বাটার খাওয়ার প্রায় ৩০ মিনিট আগে বের করে রাখতে হবে। আর যদি খুব তাড়া থাকে তবে তার জন্য এক স্পেশাল টিপস হল- একটা গ্লাসে গরম পানি ঢেলে নিন, এরপর পানি ফেলে দিন। এখন গ্লাসটা উল্টো করে বাটারের উপর দিয়ে রাখুন ৫/৬ মিনিট। ব্যাস, এতেই নরম হয়ে যাবে মাখন। এবারে পছন্দের ফ্লেভার মিক্স করার পালা। প্রত্যেক ফ্লেভারের সাথেই ১/২ চা চামচ অলিভ ওয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন।

গার্লিক ফ্লেভারঃ গার্লিক ফ্লেভারের জন্য বাটারের সাথে একদম মিহি কুচি গার্লিক বা রসুন কুচি একটা কাঁটাচামচ দিয়ে মিশিয়ে নিন।

মিক্সড হার্বস ফ্লেভারঃ এই ফ্লেভারের জন্য মিক্স হার্বস দরকার। মিক্স হার্বস বা ইটালিয়ান সিজনিং সুপার সপে কিনতে পাওয়া যায়। ১ চামচ বা মিক্স হার্বস মিশিয়ে নিন ১০০ গ্রাম বাটারের সাথে।

চকলেট/ নিউট্রেলা ফ্লেভারঃ কুকিং চকলেট/ মিল্ক চকলেট বা নিউট্রেলা মিশিয়ে নিন খুব ভালোভাবে বাটারের সাথে।

ভ্যানিলা -সিনামন ফ্লেভারঃ ১০০ গ্রাম বাটারের সাথে ১/২ চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স ও ১/২ চা চামচ সিনামন বা দারুচিনির গুঁড়া মিশিয়ে নিন। চাইলে ভ্যানিলা বা সিনামন আলাদা ভাবেও মিক্স করতে পারেন।

স্পাইসি ফ্লেভারঃ কাঁচামরিচের বিচি ফেলে খুব মিহি কুচি করে নিন স্পাইসি ফ্লেভারের জন্য। এর সাথে মিহি কুচি ধনে/ পুদিনা পাতা মিক্স করতে পারেন। চাইলে ক্যাপসিকাম কুচিও দিয়ে সুন্দর ফ্লেভার যোগ করতে পারেন।

 

মন্তব্যসমূহ

নিজের পরিচয় দিতে গেলে সবার আগে বলব, আমি একজন মা। তার সাথে একজন হোমমেকার, শিক্ষক ও ব্লগার। লিখতে ভালবাসি। তার চাইতে ভালবাসি পড়তে, জানতে। এইতো! ছোট এক জীবনে অনেক কিছু, আলহামদুলিল্লাহ!!

মন্তব্য করুন