মিষ্টি দই বানাবেন কিভাবে?

দইয়ের সাথে বাঙ্গালীর এক অন্যরকম একাত্মতা আছে। একটা ভালো দই বাঙ্গালীর কাছে অমৃতই বটে। মাস কয়েক আগেও দই খেতে খুব ইচ্ছা হলেও সপ্তাহ ধরে অপেক্ষা করতে হত আমাদের কারণ শুক্রবারে এক লোক আসতেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের দই নিয়ে। এতদিন অপেক্ষা করে থাকা আমার জন্য বেশ কষ্টকর হত বিধায় আমি দই বানাতে শিখেছি। আজ সেই নিয়ম আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আর ভালো দই খেতে আপনাদের বাসার বাহিরে যেতে হবে না। চলুন তাহলে জেনে নেই, দই বানাতে কি কি প্রয়োজন হয়।

প্রয়োজনীয় উপকরণঃ

১। দুধ – ১ লিটার

২। পানি – ১ কাপ

৩। চিনি – ২০০ গ্রাম

৪। দইয়ের বীজ – ২ টেবিল চামচ

৫। গুঁড়া দুধ (দইয়ের বীজ তৈরির জন্য) – ১ কাপ

৬। মাটির পাত্র – ১ টি

 

প্রস্তুত প্রণালীঃ

১। প্রথমে ১ কাপ তরল দুধে গুঁড়া দুধ মিশিয়ে চুলায় ভালো ভাবে জ্বাল দিয়ে ক্ষীরশা তৈরি করে নিতে হবে। এটিই দইয়ের বীজ হিসেবে কাজ করবে।

২। একটি পাত্রে দুধ নিয়ে এতে পানি মিশিয়ে মাঝারি আঁচে জ্বাল দিতে থাকুন।

৩। জ্বালে জ্বালে দুধ অর্ধেক পরিমাণ হয়ে আসলে এতে চিনি দিয়ে ভালো ভাবে নাড়ুন।

৪। দুধ আরও ঘন হয়ে আসলে দুধের পাত্রটা চুলা থেকে নামিয়ে দুধ ঠাণ্ডা হতে দিন।

৫। কিছুক্ষণ দুধে আঙ্গুলে চুবিয়ে দেখুন গরম সহ্য করা যাচ্ছে কিনা।

৬। যদি গরম সহ্য করা যায় তাহলে এতে দইয়ের বীজ ঢেলে ভালো করে মেশান।

৭। এবারে দইয়ের বীজ মিশ্রিত দুধগুলো মাটির পাত্রে ঢেলে ভারী, মোটা কাপড় বা চট দিয়ে ঢেকে অন্ধকার ও ঠাণ্ডা জায়গায় রেখে দেন ৬-৭ ঘণ্টা।

৯। ৬-৭ ঘণ্টা পর কাপড় সরিয়ে দেখবেন দই জমে গেছে এবং খাওয়ার উপযুক্ত হয়ে গেছে।

১০। ঠাণ্ডা দই খেতে চাইলে দই জমে যাওয়ার পর দইটি ফ্রিজে রাখুন।

বি.দ্রঃ আপনি যদি দ্বিতীয় বা একাধিকবার দই বানান তাহলে দইয়ের বীজ হিসেবে ২ চা চামচ আগের দই ব্যবহার করতে পারে।

মন্তব্যসমূহ

কল্পবিলাসী আমি বাস্তবতা থেকে অজ্ঞাত নই। আমি সেই বিহঙ্গিনী যে ডানা ভর্তি ভালোবাসা নিয়ে পাখা মেলতে চাই চিলের সাথে সুদূর আকাশে.. ডানা ঝাপটিয়ে লিখে যেতে চাই স্বরচিত কল্পকথা ও মুক্তির মন্ত্র I

মন্তব্য করুন