মুখের ত্বক সতেজ রাখার উপায়

সতেজ-তারুণ্যদীপ্ত চেহারা পাওয়ার আকাঙক্ষা কার না আছে? কিন্তু সবার এই আকাঙক্ষা কি পূরণ হয়? সময়ের স্রোতে ব্যস্ততার ছুটন্ত ঘোড়ায় চেহারার দিকে খেয়াল রাখার ফুসরত ক’জনার হয়ে থাকে। কিন্তু কিছু উপায় অবলম্বন করলে সহজেই নিজেকে সতেজ ও তারুণ্যদীপ্ত রাখা যায়।

 

১। প্রতিদিন স্বাস্থ্য সম্মত, প্রষ্টিকর খাবার খান এবং পানি পান করুন। সঠিক পুষ্টি হলো তরুণ দর্শন হওয়ার এবং দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন যাপনের শ্রেষ্ঠ উপায়।

২। প্রতি সপ্তায় একবার বাষ্পস্নান করুন। বাষ্পস্নান সপ্তাহে একবার করলে ত্বকে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয় এবং মুখে সব স্বাস্থ্যকর পুষ্টি উপকরণ পৌছে যায়। দেখতে ভালো লাগে, চেহারায় তরুণ দর্শনভাব আসে। বাষ্পস্নানে ত্বক হয় কোমল, সুকোমল এবং তত্ক্ষনাত্ স্বাস্থ্যকর দীপ্তি আসে চেহারায়।

৩। মুখ মন্ডল অন্তত দিনে দুবার ধুয়ে নিন আলেতাভাবে একটি নরম রুমাল দিয়ে। সপ্তাহে একদিন মুখ ঘষে নিন। মৃত ত্বক কোষ ঝরে যাবে, ময়েশ্চারাইজ করুন নিয়মিত।

৪। ব্যবহার করুন ভালো মানের সানস্ক্রিন। এসপিএফ ৩০+, ত্বককে ক্যান্সার থেকে সুরক্ষার জন্য।

৫। দেহ গঠন, আকৃতি ও পেশির টোন উন্নত করার জন্য ব্যায়াম করুন নিয়মিতভাবে। এরোবিক হলো হূদযন্ত্রের ব্যায়াম এবং এনারোবিল হলো শক্তি নির্মাণ ব্যায়াম, যাতে সুঠামদেহ, ক্ষীণ ও সুখ অনুভব হয় দীর্ঘকাল।

৬। নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গীর বদলে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী গ্রহণ করতে শিখুন। যে ভাবে ভাবেন, তাহাই চেহারায় প্রতিফলিত হয়। ভ্রুকোঁচকালে ত্বকে ভাজ পড়তে পারে দ্রুত সময়ের মধ্যে। হাসলে তত ভাজ পড়ে না। তাই ভ্রুকোচকানো চেহারা মোটেই দৃষ্টি সুখকর নয়।

৭। কিছু নতুন, নতুন কিছু শিখুন। জীবন পরিচ্ছর্ন হলে দেখাবে ভালো, চেহারায় আসবে উত্তম ভাব।।

৮। কখনই ধূমপানে অভ্যস্ত হবেন না। অক্সিজেন হলো আমাদের শ্রেষ্ঠ বন্ধু। ধূমপান করা ঠিক না, কারণ ধূমপান ছেড়ে দেওয়া অনেক সময় কঠিন হয়। অনেক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে ধূমপানে কোটি কোটি ফ্রিরেডিকেল অবমুক্ত হয়, যা আমাদের শরীর ও ত্বকের জন্য ভালো নয়। ফি রেডিক্যাল দেহকোষ যে কোন পর্যায়ে থাক, এদের বিনাশ করেই। ত্বকের কোষগুলোকে সংকুচিত করে, চেহারাকে ফ্যাকাসে করে ফেলে।

৯। অনেককে বুড়ো দেখায় তাদের কেশ বিন্যাসের কারণে। নিজেকে তরুণ দর্শন করে তুলতে হলে ট্রেন্ডি হতে পারে। চলতি হাওয়ার পন্থি হতে হবে। দীর্ঘ দিন যে কেশবিন্যাস করে এসেছেন একে বদলাতে হবে।

১০। মেকআপ হতে হবে হালকা। হালকা ময়েশ্চারাইজিং, সজল ত্বক উজ্জ্বল করা প্রসাধনী ব্যবহার করুন। এটির উপর হালকা পাউডার, চিবুকে পিংক ব্রাশ করে নিতে পারেন।

১১। আইটোন হবে স্বাভাবিক এবং নরম-কোমল।

১২। এমন লিপস্টিক ব্যবহার করতে হবে যাতে দাঁতের সারি দেখায়। শুভ্রসাদাব্ সাদা দাতের সারি থাকলে তরুণ দেখায়। শুভ্রদাতের সারি পেতে হলে নিয়মিত দাঁত মাজুন, পরিষ্কার রাখুন, মাঝে মাঝে ডেনটিস্টের কাছে যান।

১৩। প্রতি সপ্তায় একবার ময়েশ্চারাইজিং, ফেশিয়াল করতে পারেন। তানা পারলে মাসে একবার করুন। তাতে ত্বকের টোন ভালো হয়। বিউটি পার্লারে না গিয়ে পারলে ঘরে মধুমাস্ক করুন।

১৪। নখগুলো নিয়মিত কেটে সাফ সুতরো রাখুন।

১৫। হাত সব সময় ময়েশ্চারাইজ করে রাখুন। শুষ্ক হাত আসলে বুড়ো লাগে।

 

সূত্রঃ google

মন্তব্যসমূহ

কল্পবিলাসী আমি বাস্তবতা থেকে অজ্ঞাত নই। আমি সেই বিহঙ্গিনী যে ডানা ভর্তি ভালোবাসা নিয়ে পাখা মেলতে চাই চিলের সাথে সুদূর আকাশে.. ডানা ঝাপটিয়ে লিখে যেতে চাই স্বরচিত কল্পকথা ও মুক্তির মন্ত্র I

মন্তব্য করুন