গরুর মাংসের আচার

গরুর মাংসের আচার

গরুর মাংস আমরা অনেকভাবেই খেয়ে থাকি। তবে জানেন কি, এই গরুর মাংস দিয়ে আচারও তৈরি করা যায়? এবং খেতে খুব সুস্বাদু।মাঝে মাঝে এমন হয় যে রান্না করতে ইচ্ছে করছে নাহ বা ঘরে রান্না করার মত তেমন কিছু বাজার করা নেই। সেই সময়গুলোতে এই গরুর মাংসের আচার যে কি পরিমান কাজে আসবে সেটা ভাবতে পারেছন তো! সেইদিন ভাত, ডাল আর সাথে একটু আলুভর্তা করলেই কাজ শেষ।

গরম ভাতের সাথে একটু এই ভিন্নধর্মী আচার খেয়ে দেখুন এর স্বাদ আপনি অনেকদিন ভুলতে পারবেন না। আচার বানানোর রেসিপিটি দেখে নিন।

উপকরন

সেদ্ধের জন্য 

গরুর মাংস – ২ কাপ

রসুন বাটা – ১ চা চামচ

আদা বাটা – ১ চা চামচ 

ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ

শুকনো মরিচের গুঁড়া ০.৫ চা চামচ

 হলুদের গুঁড়া – সামান্য 

লবন – ১/২ চা চামচ

পানি – ১ কাপ 

আচারের বাগারের জন্য 

 সরিষার তেল ২ কাপ

 পাঁচফোড়ন ০.৫ চা চামচ

 ০.৫ কাপ রসুনের কোয়া

 ১০-১২ টি শুকনো মরিচ

 ১ টেবিল চামচ সরিষা বাটা

 ১ টেবিল চামচ ভিনেগার

 গরম মসলার গুড়ি ০.৫ চা চামচ

 পাঁচফোড়ন গুঁড়ি ০.৫ চা চামচ

 তেজপাতা – ২ টি  

প্রনালি 

* গরুর মাংস খুব ছোট করে কেটে নিন।  

*গরুর মাংসের আচার বানানোর জন্য  সেদ্ধের উপকরনগুলো মাংসের সাথে খুব ভাল করে হাত দিয়ে মাখিয়ে নিন।

*এরপর একটা প্যানে দিয়ে ঢেকে সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত জ্বাল করুন।যদি মাংস সিদ্ধ না হয় তবে অল্প গরম পানি যোগ করে আবার ঢেকে রান্না করুন। 

* মাংস সিদ্ধ হয়ে গেলে নেড়ে চেড়ে অবশিষ্ট পানি শুকিয়ে নিন। 

এবারে আচারের বাগার দেয়ার পালা

*একটা প্যানে সরিষার তেল গরম করে তেজপাতা দিয়ে একটু নেড়ে পাঁচফোড়ন দিয়ে হালকা নেড়ে নিন।

*এবারে শুকনো মরিচ দিয়ে আবার একটু ভেজে তেলের মধ্যে সরিষা বাটা দিয়ে ভেজে নিন।

* রসুনের কোয়া দিয়ে ১৫-২০ সেকেন্ড নেড়ে এখন সিদ্ধ মাংস দিয়ে দিন।  

* মাংস নাড়তে নাড়তে গরম মসলার গুড়া, পাঁচফোড়ন গুঁড়া ও ভিনেগার দিয়ে দিন। 

* মাংস ভাজা ভাজা হলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে বয়ামে ভরে নিন।

* মাঝে মাঝে রোদ দিতে হবে। 

* বানানোর পরে ২-৩ সপ্তাহ পরে খেলে ভাল লাগবে।

মন্তব্যসমূহ

নিজের পরিচয় দিতে গেলে সবার আগে বলব, আমি একজন মা। তার সাথে একজন হোমমেকার, শিক্ষক ও ব্লগার। লিখতে ভালবাসি। তার চাইতে ভালবাসি পড়তে, জানতে। এইতো! ছোট এক জীবনে অনেক কিছু, আলহামদুলিল্লাহ!!

মন্তব্য করুন