অন্যান্য

উজ্জ্বল ত্বকের জন্য বীটরুটের ফেস মাস্ক

টুকটুকে লাল রঙের এক সবজি বীটরুট। বর্তমানে খুব সহজলভ্য এই সবজিটি। বীট সাধারণত সালাদের সাথেই বেশি খাওয়া হয়ে থাকে। এর অনেক গুন। স্বাস্থ্য ও ত্বকের জন্য অনেক উপকারী এই বীটরুট। এটি ফোলেট, পটাসিয়াম, ভিটামিন সি, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলির পাওয়ার হাউস। এটি কেবল রক্তকেই শুদ্ধ করে না, শরীরে রক্ত প্রবাহকেও উদ্দীপিত করে।

বীটের অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল বৈশিষ্ট্যের কারনে এটা ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহায্য করে।এছাড়াও এটি ত্বকের মৃতকোষগুলোকে দূর করতে সাহায্য করে।

আপনি যদি খুব সহজে নরম ও কোমল ত্বক পেতে চান, তবে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য। বিটরুটের তৈরি ২টি সহজ ফেসমাস্ক ও তার গুণাবলী নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন।

উজ্জ্বল ত্বকের জন্য বীটরুটের ফেস মাস্ক

১. বীটরূটের সাথে দই ও লেবুর রস

যা যা লাগবে

  • বীটের রস – ২ চা চামচ
  • দই – ১ চা চামচ
  • লেবুর রস – ১ চা চামচ
  • ময়দা / বেসন – ২ চা চামচ

কীভাবে তৈরি করবেন?

  • বীটরুট ভালভাবে ছিলে নিন। এরপর গ্রেটার দিয়ে গ্রেট করে নিন। এবারে হাতের সাহায্যে বীট থেকে রস বের করে নিতে হবে।
  • এবারে আস্তে আস্তে বাকি উপকরণগুলো মিশিয়ে নিন।
  • এই প্যাকটা খুব পাতলা বা ঘন হবে না। যদি পাতলা হয়ে যায় তবে অল্প ময়দা মিশিয়ে নিন। আর ঘন হলে অল্প দই মিশিয়ে এডজাস্ট করে নিতে হবে।
  • প্যাক লাগানোর আগে ভালোভাবে ফেস ওয়াস দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।এরপর শুকনো করে মুছে নিন।
  • চোখ ও চোখের আশেপাশের জায়গা বাদ দিয়ে মুখের সব জায়গায় পাতলা ও সমান করে লাগিয়ে নিন।
  • ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে নিন। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে।
  • মুখ মুছে নিন। এখন ভালো করে আয়নায় খেয়াল করে দেখুন, মুখে একটা গোলাপি আভা এসেছে কীনা।
  • এভাবে নিয়মিত ব্যবহারে আপনার ত্বকে সুন্দর পিঙ্ক আভা আসবে।

২. বীটরুটের সাথে গরম পানি

অনেক সময় আমাদের হাতে খুবই সময় কম থাকে। তখন শুধু বীটের সাথে হাল্কা গরম পানি দিয়েই চমৎকার ফেস মাস্ক বানিয়ে নেয়া যায়। আসুন দেখে নিই।

যা যা লাগবে

  • বীটরুটের রস – ৫-৬ চা চামচ
  • কুসুম গরম পানি
  • কটন বল
  • সুতি টাওয়াল

কীভাবে তৈরি করবেন?

  • মুখে কুসুম গরম পানির ঝাপটা দিন। মুখ মুছে ফেলার দরকার নাই।নিজে নিজে শুকাতে দিন।
  • এবারে গ্রেট করা বীটরুট একটু হাত দিয়ে চিপে নিলেই রস বের হবে। এই রস কটন বলের সাহায্যে মুখে লাগাতে হবে। তবে চোখ ও মুখে যাতে না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
  • এই রস একটু শুকিয়ে এলে আবার একটি কটন বলের সাহায্যে আর এক প্রলেপ রস লাগিয়ে নিন।
  • এই সময় মুখে হাত লাগাবেন না।
  • ১৫-২০ মিনিট রেখে দিন। এরপর কুসুম গরম পানিতে সুতির টাওয়াল বা গামছা ভিজিয়ে মুছে নিন। মোছার সময় মুখের উপরের দিকে চক্রাকারে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মুছে নিন।
  • এবারে ভালোভাবে মুখ ধুয়ে নিন।
  • উজ্জ্বল ও সুন্দর ত্বক পেতে এই মাস্ক মাসে ১ বার লাগান।

মন্তব্যসমূহ

নিজের পরিচয় দিতে গেলে সবার আগে বলব, আমি একজন মা। তার সাথে একজন হোমমেকার, শিক্ষক ও ব্লগার। লিখতে ভালবাসি। তার চাইতে ভালবাসি পড়তে, জানতে। এইতো! ছোট এক জীবনে অনেক কিছু, আলহামদুলিল্লাহ!!

মন্তব্য করুন