All Posts By

ফাতেমা সানজিদা

সকালের নাস্তায় ফ্রেঞ্চ টোস্ট রোল

সকালের নাস্তায় ফ্রেঞ্চ টোস্ট রোল

সকালের নাস্তায় একঘেয়েমি নাস্তা আর কত খাওয়া যায় বলুন তো?? সেই সাথে রুটি, ভাজি এইগুলা করা যেমন কস্টসাধ্য তেমন সময়সাপেক্ষও বটে। তাই মাঝে মাঝে একটু ভিন্ন ধরনের নাস্তা তৈরি করতে পারেন। এতে ঝামেলা একটু কম্বে সাথে খাবারের একঘেয়েমিটাও থাকবে না। যারা কর্মজীবী বা যাদের স্কুলে যাওয়া বাচ্চা আছে তাদের জন্য আর বেশি কস্টের সকালের নাস্তা বানানো। সকালে নাস্তা বানিয়ে খেয়ে তৈরি হয়ে, অফিস যাওয়া অনেক ঝক্কির কাজ।আবার বাচ্চাকে তৈরি করে তাকে খাইয়ে আবার তার জন্য

ফল দিয়েই তৈরি করুন স্বাস্থ্যকর ৩ ললি

ফল দিয়েই তৈরি করুন স্বাস্থ্যকর ৩ ললি

ফল ছোট-বড় সবার অনেক পছন্দের। কিন্তু অনেক বাচ্চারা আছে তেমন ফল খেতে চায় না। আবার খেলেও সবধরনের ফল খায় না। তবে ফল খাক বা না খাক আইসক্রিম কিন্তু কেউ বাদ দিতে চাইবে না। বাচ্চাকে খাওয়ানোর জন্য মা-বাবাকে হতে হবে অনেক বেশী ক্রিয়েটিভ। এই গরমের দিনে যদি ফল দিয়েই তৈরি করা যায় স্বাস্থ্যসম্মত ললি, তবে কেমন হবে বলুন তো!!! আইসক্রিমের স্বাদে ফলও খাওয়া হয়ে যাবে। বাচ্চার সাথে ফল খাওয়া নিয়ে জোরাজুরি করাও লাগবে না। তবে চলুন

পুরভরা গাজরের লাড্ডু

পুরভরা গাজরের লাড্ডু রেসিপি

গাজর খুব মজার ও স্বাস্থ্যকর এক মূলজাতীয় সবজি। সবজি হিসেবে কাঁচা খেলেও গাজর দিয়ে নানান রকমের খাবার বানানো যায়। এরমধ্যে গাজরের হালুয়া, গাজরের লাড্ডু খুব জনপ্রিয়। ছোট- বড় সকলের প্রিয় গাজরের লাড্ডু রেসিপি আজকে দিচ্ছি। তবে এরমধ্যে একটু ভিন্নতা নিয়ে এসেছি, তাহল লাড্ডুর ভেতরে নারকেলের পুর দেয়া। তাই নাম পুরভরা গাজরের লাড্ডু। উপকরণ গাজর – ১/২ কেজি ঘন দুধ – ১ কাপ বাটার – ৩/৪ টেবিল চামচ চিনি – ১/২ কাপ কনডেন্স মিল্ক – ১/৪

ঝাল ঝাল চিজ টোস্ট

ঝাল ঝাল চিজ টোস্ট

সকালের নাস্তায় নিত্যদিন রুটি-ভাজি বা পরোটা না খেয়ে মাঝে মাঝে ভিন্ন কিছু খান। এতে খাবারের একঘেয়েমি কমবে। খাবারের প্রতি রুচি বাড়বে, বিশেষকরে বাচ্চাদের। সকালে অনেকসময়ই ঘুৃম থেকে উঠতে দেরী হয়ে যায় এর ফলে নাস্তা না করেই কর্মক্ষেত্রে বা বাচ্চা স্কুলে চলে যাচ্ছে। অথবা বাইরে থেকে কেনা খাবার দিয়ে সকালবেলার নাস্তা সারছে। এটা কোনভাবেই উচিত না। আমরা রাতে ঘুমাবার পরে সকালবেলা যখন ঘুম থেকে উঠি ততক্ষনে অনেক সময় পার হয়ে যায়। ফলে সকালের নাস্তা অনেক বেশি

বাচ্চার_প্রথম_নিরাপদ_ফিঙ্গার_ফুড

বাচ্চাদের প্রথম নিরাপদ ফিঙ্গার ফুড

বাচ্চার জন্মের  ৬ মাস পরে মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি বাড়তি কিছু খাবার দিতে হয়। যেমনঃ ফলের পিউরি, নরম খিচুড়ি, চালের সুজি বা নরম ভাত ইত্যাদি। এইসব খাবারের সাথে আস্তে আস্তে মুরগির মাংস, মাছও দিতে হবে। এতে বাচ্চার শারীরিক ও মানসিক বিকাশ হবে দ্রুত। বাচ্চার বয়স যখন ৭-৮ মাস হবে তখন থেকেই শিশুকে নিজের হাতে কিছু খাবার দিতে হবে। এরফলে শিশু নিজের হাতে যেমন খাওয়া শিখবে তেমন তার খাবারের প্রতি রুচিও বাড়বে। এখনকার সময়ে একটা কথা

সারা বছর কমলা সংরক্ষণ করবেন যেভাবে

সারা বছর কমলা সংরক্ষণ করবেন যেভাবে

বাজার ভরা এখন কমলালেবু। ভিটামিন সি পাবার এক অন্যতম ও সুস্বাদু উপায় হল এই কমলালেবু।আমাদের শরীর, বিশেষ করে দাঁতের জন্য খুব দরকারি এই ভিটামিন সি।আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অবশ্যই ভিটামিন সি থাকা দরকার। শীতকালীন ফল কমলাতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি আছে।কিন্তু শীত শেষে এই কমলা তেমন ভালো পাওয়া যায় না। তবে সারা বছর কমলার স্বাদ নেয়া যেতে পারে কমলা সংরক্ষণ করে। এই ফল দিয়ে মজাদার কিছু খাবার বানানো যায়। এমন এক মজার রেসিপি হলো কমলার

৫ রকমের ব্যানানা মাফিন কেক রেসিপি

৫ রকমের ব্যানানা মাফিন কেক রেসিপি

অনেক সময় ঘরে কলা আনার পরে খাওয়া হয় না, এতে কলা অনেক পেকে যায়। যা পরে আর খেতে ইচ্ছা করে না। বেশিরভাগ সময় আমরা এই কলা ফেলে দিয়ে থাকি। এতে কিন্তু খাবারের অনেক অপছয় হয়, যেটা করা মোটেই ঠিক নয়। এই একটু বেশি পেকে যাওয়া কলা থেকেই মজাদার অনেক কিছু বানানো যায়, যেমনঃ কলার পিঠা যা গ্রাম-বাংলায় দারুন জনপ্রিয় বা বর্তমান সময়ে বাচ্চাদের খুব পছন্দের ব্যানানা মাফিন কেক। আসুন আজকে  তবে দেখে নিই কলা দিয়ে

কলাপাতায় চিংড়ি পাতুরি

কলাপাতায় চিংড়ি পাতুরি

চিংড়ি মাছ যেভাবেই রান্না করা হোক না কেন সেটার স্বাদ অসাধারণ। তবে আমাদের দেশের দক্ষিণঅঞ্চলের রান্নায় কলাপাতার ব্যবহার অনেক। এই পাতায় রান্না করলে কলাপাতার একটা দারুন ফ্লেভার তারসাথে পাতা তাপে পুড়ে একটা স্মোকি ফ্লেভার নিয়ে আসে, সেটা এক কথায় অসাধারণ। আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব দক্ষিনাঞ্চলের অসম্ভব মজার রেসিপি কলাপাতায় চিংড়ি পাতুরি। উপকরণ ছোট চিংড়ি মাছ – ১ কাপ বা মাঝারী / বড় চিংড়ি – ৭/৮ টি নারিকেল কুরানো – ১/৪ কাপ   সরিষার তেল

পাম্পকিন ফ্রাই রেসিপি

পাম্পকিন ফ্রাই

অনেক তো খাওয়া হল ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের মত করেই পাম্পকিন বা মিষ্টি কুমড়া দিয়ে ফ্রাই তৈরি করা যায়। এর ফলে সবজি খাওয়াও হল, ফ্রাই ও হল। অনেক বাচ্চারাই সবজি খেতে চায় নাহ, এভাবে করে পাম্পকিন ফ্রাই করে দিন। আর দেখুন এক নিমিষে কিভাবে মিস্টি কুমড়া খেয়ে ফেলে। এই রেসিপিটি মূলত তৈরি করা খুব সহজ কিন্তু পাম্পকিন বা মিষ্টি কুমড়া ফ্রাইটাকে ক্রিস্পি করার জন্য কিছু টেকনিক অনুসরণ করতে হবে। ঠিকঠাকভাবে সেটা অনুসরণ করতে পারলেই একদম