All Posts By

ফাতেমা সানজিদা

ঐতিহ্যবাহি মেজবানি মাংস রেসিপি

ঐতিহ্যবাহি মেজবানি মাংস রেসিপি

বর্তমান সময়ে গরুর মাংসের ২ টা রেসিপি খুব জনপ্রিয় এক হল মেজবানি মাংস ও কালোভুনা। দুইটাই আমাদের দেশের চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী রেসিপি। আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো মেজবানি গরুর মাংসের রেসিপি। তার আগে এই মাংসের নামকরন নিয়ে একটু কথা বলে নিই। চট্টগ্রামে মেহমানকে মেজবানও বলা হয়।বিয়ে বাড়ি বা অনেক মানুষের দাওয়াতে মেজবান উপলক্ষে বিভিন্ন মশলার সংমিশ্রণে বিশেষ ধরনের মাংস রান্না করা হয়ে থাকে এই মাংসের রেসিপিই মেজবানি মাংস নামে পরিচিতি পায়।এই মাংস রান্নায় গরুর মাংস, হাড়,

 মেজবানি মাংসের মশলা তৈরি 

মেজবানি মাংসের মশলা তৈরি

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী গরুর মাংসের এক রান্না মেজবানি মাংস। যা এখন সারা দেশের মানুষের কাছে খুব জনপ্রিয়।এই মাংস রান্নার জন্য মশলা ঠিকঠাক হওয়া খুব জরুরি। অনেক রকম মশলা ভেজে নিয়ে গুড়া করে তারপর এই মেজবানি মাংস রান্না করা হয়। এই মশলা গুঁড়া করার প্রক্রিয়াটাই একটু সময়সাপেক্ষ পাশাপাশি ঝামেলাকর। তাই মাংস রান্না করার আগে যদি মেজবানি মাংসের মশলা তৈরি করে রাখা যায় তবে এই মাংস রান্না করা অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। আসুন তবে মেজবানি মাংসের মশলা তৈরির প্রণালী

জালি কাবাবের সহজ রেসিপি

জালি কাবাবের সহজ রেসিপি

কাবাব শুনলেই কেমন একটা মোঘলাই আমলের খানাপিনার কথা মনে চলে আসে। বাড়িতে কাবাব আমরা অনেকেই বানিয়ে থাকি কিন্তু এই জালি কাবাব সহজে বানাতে চাই না কারন এটা অনেকের কাছেই একটু কঠিন লাগে। আবার অনেক সময় এই কাবাব তেলে দিলেই খুলে যায়।এই রেসিপিতে ডিমে চুবিয়ে কাবাব ভাজতে হয়,এর ফলে কাবাবের উপরের লেয়ার জালের মত দেখায় এই কারনেই এর নাম সম্ভবত জালি কাবাব।জালি কাবাবের সহজ রেসিপি ঠিকমত অনুসরন করলে আপনার জালি কাবাবও হবে একদম পারফেক্ট। উপকরন মাংসের

লটকনের আচার রেসিপি

লটকনের আচার রেসিপি

আমাদের দেশে নানা স্বাদের মৌসুমি ফল পাওয়া যায়। যা স্বাদে, পুষ্টিতে ভরপুর।লটকন তেমনই এক টক স্বাদের ফল।এই ফল এমনিতে খেতে অনেক মজা। তবে লটকন দিয়েও মজার স্বাদের আচার তৈরি করা যায় এবং খুব কম সময়ে।লটকনের আচার রেসিপি দেয়া হল দেখে নিন। উপকরন লটকন (খোসা ছাড়ানো) – ১ কাপ লবন – ১/২ চা চামচ শুকনো মরিচ গুঁড়া – ১ চা চামচ চিনি – ১ টেবিল চামচ /স্বাদমত পাঁচফোঁড়ন গুঁড়া – ১ টেবিল চামচ তেঁতুল – ১

ঈদুল আযহার অগ্রিম প্রস্তুতি

ঈদুল আযহার অগ্রিম প্রস্তুতি

ঈদ উল আযহা তো প্রায় চলেই আসল, আপনি কি প্রস্তুত?? কুরবানির সময় বাসায় ঝামেলা একটু বেশিই থাকে, তবে একটু বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ করলে আপনার উপর একসাথে সব ঝামেলা পরবে না। এতে কাজও হবে আবার আরামও হবে। আজ থেকেই শুরু করে দিন ঈদুল আযহার অগ্রিম প্রস্তুতি।আপনার প্রস্তুতিকে সহজ করতেই আমাদের আজকের লেখা। আপনাদের সাথে শেয়ার করব কিছু টিপস। চলুন দেখে নিই। বাসার পর্দা – চাদর পরিস্কার বাসার পর্দা, চাদর, সোফার কুশন কভার সব ধুয়ে ফেলুন আস্তে

লটকনের স্বাস্থ্যকথন

লটকনের স্বাস্থ্যকথন

বাজারে নানা রঙের নানা স্বাদের ফলের ভীড়ে আমরা একটা ছোট কিন্তু বেশ মজার এক দেশি ফলের উপকারিতার কথা মনেই থাকে না।একটু টক স্বাদের সেই ফলের নাম কি বলুন তো? লটকন তার নাম। খুব পুস্টিকর এক ফল। এতে অনেক স্বাস্থ্য গুনাগুন আছে যা আমাদের প্রায় অজানা। আজকে আসুন জেনে নিই লটকনের স্বাস্থ্যকথন। লটকনের স্বাস্থ্যকথন ভিটামিন সি- তে ভরপুরঃ লটকনে প্রচুর পরিমান ভিটামিন সি আছে। আমরা সবাই জানি যে ভিটামিন সি আমাদের দাঁত, হাড় ও ত্বকের জন্য খুব

গরুর কালোভুনা রেসিপি

গরুর কালোভুনা রেসিপি

চট্টগ্রামের এক ঐতিহ্যবাহী গরুর মাংসের রেসিপি কালোভুনা।সাদা পোলাও বা রুটির সাথে খেতে অসাধারন লাগে কালোভুনা।তবে এই রেসিপি নিয়ে আমাদের কিছুটা ভুল ধারনা আছে যে, এই পদ্ধতিতে রান্না করা মাংস ভেজে কালো করে রান্না করা হয়। আসলে কিন্তু তা না, কালোভুনা আসলে অনেক সময় নিয়ে রান্না করা হয় ফলে কিছুটা কালো রঙের হয়ে থাকে। আর মাংস খুব নরম হয়ে যাবে কিন্তু একদম খুলে খুলে যাবে না। যাইহোক, আজকে আপনাদের এই গরুর মাংসের কালোভুনার অথেনটিক রেসিপিটি দিচ্ছি।আর

কাঁঠালের বিচির টিকিয়া

কাঁঠালের বিচির টিকিয়া

কাঁঠাল তো অনেক মজাদার ও পুস্টিকর এক ফল। এর পাশাপাশি কাঁঠালের বিচিরও নানাগুন। আমরা বিভিন্নভাবেই এই বিচি রান্না করে খাই চটপটেও  কাঁঠালের বিচির কয়েকটি রেসিপি আছে। আজও আপনাদের সাথে শেয়ার করব এক কাঁঠালের বিচির ভিন্নরকম এক রেসিপি নাম কাঁঠালের বিচির টিকিয়া। অনেকরকম টিকিয়াতো আমরা প্রায়ই খাই, তবে আমার মন হয় না এই কাঁঠালের বিচি দিয়ে টিকিয়া সচারচর কেউ খায়। রেসিপিটি দেখে নিন। উপকরণ কাঁঠালের বিচি সিদ্ধ – ১ কাপ পেঁয়াজ মিহি কুচি – ১/৪ কাপ

কাঁঠালের বিচি সংরক্ষণের উপায়

কাঁঠালের বিচি সংরক্ষণের উপায়

কাঁঠালের বিচি ভেজে বা তরকারি বা সবজির সাথে রান্না করে খেতে খুব মজা। তবে কাঠাঁলতো শুধু গ্রীষ্মের কয়েকমাস পাওয়া যায়। এই বিচি কিন্তু সারাবছর সংরক্ষণ করে রাখা যায়, তরকারিতে খাওয়ার জন্য। কীভাবে? চলুন জেনে নিই। প্রথম ধাপ কাঁঠাল খাওয়া শেষে বিচিগুলোকে ভালভাবে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে নিন। ভালভাবে শুকিয়ে গেলে এর উপরের খোসা ছাড়ানো সহজ হবে। দ্বিতীয় ধাপ একটা ছুরির সাহায্যে কাঁঠালের বিচির খোসার একপাশে একটু কেটে নিন। এরপর হাত দিয়ে টান দিলেই সহজে পুরো খোসা