All Posts By

রিফাত তানজিম চেতনা

Game of Thrones আমাদের সফল হওয়ার যে কৌশলগুলো শেখায়!

বর্তমানে আলোচনা ও সমালোচনার তুঙ্গে একটাই নাম, Game of Thrones. আর মাত্র ৩টা পর্ব বাকি তারপর ভক্তদের হতাশ করে শেষ হয়ে যাবে এই জনপ্রিয় টিভি সিরিজটি। হতাশ করে শেষ হবে, বললাম কেন? একজন GoT ভক্ত হিসেবে আমি ইতিমধ্যে হতাশ সিরিজটা শেষ হতে চলেছে বলে। GoT শেষ হওয়ার পর কি করবো! কোন টিভি সিরিজ নিয়ে ব্যস্ত হওয়া উচিত Game of Thrones শেষ হওয়ার কষ্ট কাটানোর জন্য, সেই ভাবনায় আমি বেশ চিন্তিত ও হতাশাগ্রস্থ বলা চলে। এছাড়া

আপনার শিশু কি স্বাভাবিকভাবে (বারো মাসে) বেড়ে উঠছে?

বাবা মায়ের জন্য খুব উত্তেজনাকর একটি সময় হলো বিশেষ করে প্রথম বাচ্চার ক্ষেত্রে  শিশুর প্রথম বছরে পদার্পন। কম বেশি সব বাবা-মাই ভাবেন আরে! এই তো সেদিন এইটুকুন বাবুর আজকে একবছর হয়ে গেলো! সদ্য নিজের পায়ে দাঁড়াতে শেখা বাবুর দুষ্টু মিষ্টি কাণ্ড-কারখানা দেখে স্মৃতি থেকে, গর্ভাবস্থা থেকে শুরু করে শিশুর জন্মের প্রথম কয়েকমাস মায়ের উপর যাওয়া ধকল গুলো আস্তে আস্তে হালকা হতে শুরু করে। শিশুর শারীরিক বৃদ্ধিঃ বেশীরভাগ বাচ্চাই ১২ মাসে নিজের পায়ে ভর করে উঠে

আপনার শিশু কি স্বাভাবিকভাবে (এগারো মাসে) বেড়ে উঠছে?

এগারো মাসের বাবুটি এখন অনেক কিছুই বুঝতে শিখবে- যেমন ‘না’ বলা। আমরা শিশুদের একটি ক্যাম্পাইনের কথা জানি শিশুদের জন্য ‘হ্যাঁ’ বলুন। কিন্তু আপনাকে দিনে অসংখ্যবার এই ক্ষুদে হামাগুড়ি-মাস্টারকে ‘না’ বলতে হবে। কোন কোন বাবু অবশ্য এর মধ্যেই হাটি-হাটি পা পা শুরু করে দিতে পারে। কোন কিছু ধরে বা সাপোর্ট নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়বে, গড়িয়ে বা হামাগুড়ি দিয়ে অনেক দ্রুতই পোঁছে যাবে ঘরের আনাচে কানাচে। তাই বিপদজনক কিছুর প্রতি আগ্রহী হলে , দ্রুত তাকে না বলুন। তবে

আপনার শিশু কি স্বাভাবিকভাবে (দশম মাসে) বেড়ে উঠছে?

বাচ্চাদের যে বয়সটায় তারা সবচেয়ে বেশি আদর কাড়ে, এ বয়সটি তার মাঝেই পড়ে। বাবুর শারিরিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঠিক ঠাক হচ্ছে কিনা লক্ষ্য রাখুন। এ বয়েসে বেশীরভাগ বাচ্চাই খুব হাসিখুশি ও কর্মচঞ্চল থাকে। হামাগুড়ি দেয়া এ সময়ের খুব স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য , যদিও হামাগুড়ি সব বাচ্চা হাঁটুতে ভর দিয়ে দেয় না। কোন বাচ্চা বুক আর পেটে ভর দিয়ে, কেউবা এক হাঁটু ব্যবহার করে অদ্ভুত ভঙ্গীতে সামনের দিকে আগানোর এবং ঘরের বিভিন্ন প্রান্তে চলাচল করার চেষ্টা করে। 

আপনার শিশু কি স্বাভাবিকভাবে (নবম মাসে) বেড়ে উঠছে?

নয় মাস বয়সে বাচ্চারা হামাগুড়ি / ক্রলিং করে এবং বেশিরভাগ বাচ্চাই মোটামুটি স্বাধীনভাবে উঠে বসতে পারে। তবে, অন্যের সাহায্য ছাড়া হাঁটা শুরু করতে আরো এক দু- মাস কিংবা তার চেয়ে কিছু বেশিদিন  লাগতে পারে। এ সময় শক্ত কিছু ধরে উঠে দাঁড়াবার চেষ্টা করার প্রবণতা দেখা যায়, কিংবা আপনার হাত ধরে ‘হাঁটি হাঁটি –পা পা’ করতে খুব পছন্দ করে। অনেক সময় নিচু হয়ে বাচ্চাকে হাঁটানো আমাদের জন্য বেশ কঠিন হয়ে যায়, কিন্তু বাচ্চাদের এই নতুন কর্মকাণ্ডে

আপনার শিশু কি স্বাভাবিকভাবে (অষ্টম মাসে) বেড়ে উঠছে?

অষ্টম মাসে আপনার বাচ্চা আরো একটিভ আর চঞ্চল হয়। হামাগুড়িঃ বাচ্চারা সাধারণত হাত দিয়ে নিজেকে সামনের দিকে আগাতে শেখে,  তারপর হাত আর হাঁটুতে  ভর দিয়ে উঠতে চেষ্টা করে।  তারপর, সেই ভঙ্গিতে সামনে আগানোর, এবং পেছানোর প্র্যাকটিস শুরু করতে পারে।  হামগুড়ির ভঙ্গি করতে শেখার পরও অনেক বাচ্চা হামাগুড়ি দেয় না, কিংবা দিতে পছন্দ করে না। অনেকে আবার হামাগুড়ি না দিয়ে হাত বুক আর পেটের উপর ভর করে চলাচল করতে পছন্দ করে। যেভাবেই হোক, ক্রিপিং কিংবা হামাগুড়ি

আপনার শিশু কি স্বাভাবিকভাবে (সপ্তম মাসে) বেড়ে উঠছে?

সপ্তম মাসে প্রবেশ করার পর বাচ্চারা আরও বেশী চঞ্চল ও আরও বেশী আবেগপ্রবণ হতে থাকে। সেইসাথে মানবশিশু হিসেবে নিজস্ব স্বকীয়তা , স্বাধীনতা এবং ব্যাক্তিত্ব গঠন ও প্রকাশিত হতে শুরু করে। এ বয়সে বাচ্চা তার চারপাশের সবকিছুর প্রতি খুব কৌতূহলী হয়। এই কৌতূহল তার মানসিক বিকাশকে তরান্বিত করে। বাচ্চার সাথে কথোপকথন, তার প্রয়োজনে সাড়া দেয়া, নিরাপদ ও বয়স উপযোগী বিভিন্ন খেলনা দিয়ে শিশুর মনোরঞ্জন করা এবং সর্বোপরি সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। আগের মাসগুলোর চাইতে তুলনামূলকভাবে

কেমন হবে আপনার বৈশাখের সাজ?

দেখতে দেখতে বৈশাখও চলে এলো। বৈশাখ বরণ উৎসব যদিও বাঙালির জাতীয় উৎসব; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে এটা সবার উৎসব কিন্তু এর বহুর প্রচার ও প্রসার ঘটেছে ২১ শতকে। ঐতিহ্য ঘেরা আমাদের বৈশাখ তাই একে বরণ করতে কোন ত্রুটি রাখি না আমরা। মেয়েদের বৈশাখ বরণের গল্প তো একেবারেই ভিন্ন। বৈশাখের আগমনের আনন্দে মাথার চুল থেকে পা পর্যন্ত সাজায় আমরা, মেয়েরা। কিন্তু বৈশাখ কি শুধু আমাদের জন্য আনন্দই এনে দেয়? সাথে রৌদ্রের অসহ্য তাপ ও প্রচন্ড গরম

ব্লাড প্রেশার বা রক্তচাপের খুঁটিনাটি

হাই ব্লাড প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। সঠিক খাদ্যগ্রহণের মাধ্যমে এর থেকে দূরে থাকা সম্ভব। উচ্চ রক্তচাপ কমানোর জন্য এমন সব খাবারের পরিকল্পনা করতে হবে, যাতে থাকবে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম।কারণ খাদ্যের এসব উপাদান উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়ক। কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুধজাত খাদ্য যেমন দই ইত্যাদিতে পাওয়া যায় পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম। তাজা ফল যেমন আপেল, কলা আর শাকসবজি হচ্ছে পটাশিয়ামের ভালো উত্‍স। টমেটোতেও আছে বেশ পটাশিয়াম। প্রেসার বেড়ে গেলে,